23 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৫ কর্মচারীকে বদলি ও সম্পদ তদন্তের নির্দেশনা জারি

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৫ কর্মচারীকে বদলি ও সম্পদ তদন্তের নির্দেশনা জারি

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৫ জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শাস্তিমূলক বদলি আদেশ জারি করেছে। বদলির সিদ্ধান্ত ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হাসিমের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সম্পদ তদন্ত এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অফিস আদেশে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২-এর ধারা ৫০ অনুসারে অভিযুক্তদের মোংলা ও পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বদলির মাধ্যমে তাদের পূর্ববর্তী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে, যা তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য বহন করে।

বদলিতে অডিট সহকারী, ইঞ্জিন ড্রাইভার, স্টেনো টাইপিস্ট, উচ্চ সহকারী, ইসিএম ড্রাইভার এবং মেসনসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত। এই পদগুলো বন্দর পরিচালনা ও সেবা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, ফলে বদলির প্রভাব ব্যাপক হতে পারে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, অভিযুক্ত কর্মচারীরা চলমান আন্দোলনের আড়ালে বন্দর এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে এবং রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান, এবং প্রমাণ সংগ্রহের কাজ ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

তদন্তের স্বার্থে, অভিযুক্তদের দেশত্যাগে বাধা দিতে আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন করা হয়েছে। এতে করে তারা বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশের বাইরে সরে যেতে পারবে না।

অধিকন্তু, অভিযুক্তদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের সন্দেহে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুর্নীতি দমন কমিশন) সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

বদলির তালিকায় উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম প্রকাশিত হয়েছে: অডিট সহকারী ও আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির, ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকন, স্টেনো টাইপিস্ট মো. জহিরুল ইসলাম, ইসিএম ড্রাইভার মানিক মিস্ত্রি এবং মেসন মো. শামসু মিয়া। এই ব্যক্তিরা বন্দর কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন।

আদেশের একটি কপি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালকের সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে।

পরবর্তী সময়ে, বদলিপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা এই বিষয়টি তীব্রভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অগ্রসর হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments