17 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধহাতিরঝিলে এডিসি মাহাফুজ্জামানকে বেদম মারধর, ১৭ সেলাই দিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি

হাতিরঝিলে এডিসি মাহাফুজ্জামানকে বেদম মারধর, ১৭ সেলাই দিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি

বুধবার মধ্যরাতে হাতিরঝিলে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ঘষা নিয়ে তীব্র বিবাদে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মাহাফুজ্জামানকে ১৫-২০ জনের একটি দল বেদম মারধর করে। আঘাতের ফলে তার শরীরে ১৭টি সেলাই লাগতে হয় এবং বর্তমানে তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

মাহাফুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগে কর্মরত এবং বিসিএস ৩১ ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি ঘটনার সময় গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, যখন অন্য গাড়ির সঙ্গে সামান্য ঘষা হয়।

ঘটনা ঘটার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের উপ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানিয়েছেন যে হাতিরঝিল থানা থেকে মোট সাতজনকে অপরাধী হিসেবে মামলা করা হয়েছে এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের নাম ও পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

হাতিরঝিল থানার ওসি গোলাম মর্তুজা উল্লেখ করেছেন যে হামলাকারীরা ব্যবসায়ী এবং ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে মদ্যপান করছিলেন। তিনি বলেন, মদ্যপান শেষে তারা নিকটবর্তী একটি বারে গিয়ে পানীয় গ্রহণের পরই ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে।

হাতিরঝিলের একটি পুলিশ সদস্যের বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা বারের কাছ থেকে মদ্যপান শেষ করে গাড়ি চালিয়ে হাতিরঝিলে প্রবেশ করে। তাদের গাড়ি মাহাফুজ্জামানের গাড়ির সঙ্গে সামান্য ঘষা হয়ে যায়, ফলে দু’গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

দুই গাড়ি একে অপরের পথে আটকে যাওয়ায় তর্ক শুরু হয়। গাড়ির সামনের কাঁচে পুলিশ চিহ্ন দেখা মাত্র হামলাকারীরা তিটকারি করে এবং ফোনে আরও কয়েকজন সহযোগীকে ডেকে আনে। এরপর তারা ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল গঠন করে মাহাফুজ্জামানের ওপর শারীরিক হামলা চালায়।

হামলার পর দ্রুতই আহত এডিসি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন যে তার শরীরে ১৭টি সেলাই প্রয়োজন হয়েছে। বর্তমানে তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে আছেন এবং চিকিৎসা চলছে।

হাতিরঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট থানা অফিসারদের ওপর অর্পিত। গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তবে তাদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ উল্লেখ করেছে যে মামলার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তদন্ত চলাকালে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ এবং সাক্ষী সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাবে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নীতি ও পাবলিক স্পেসে শৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে আহ্বান জানিয়েছে যে কোনো ধরনের অশান্তি বা হিংসাত্মক আচরণ এড়িয়ে চলতে এবং আইনগত পথে সমস্যার সমাধান করতে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments