19 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসার কেয়ার স্টারমারকে শ্রম দলের ক্রোধ ও পদত্যাগের দাবি মুখোমুখি

সার কেয়ার স্টারমারকে শ্রম দলের ক্রোধ ও পদত্যাগের দাবি মুখোমুখি

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী সার কেয়ার স্টারমার আজকের সেশন‑এ কঠিন পরিস্থিতির মুখে দাঁড়ালেন। তিনি জেফ্রি এপস্টেইনের শিকারদের সরাসরি ক্ষমা চেয়ে, ম্যান্ডেলসনের মিথ্যা বিশ্বাসের জন্য দায় স্বীকার করে, যুক্তরাজ্যের শীর্ষ কূটনৈতিক পদে এক ব্যক্তিকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করলেন। এই পদক্ষেপের ফলে শ্রম দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে তীব্র বিরোধ ও পদত্যাগের দাবি তীব্রতর হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ক্ষমা প্রস্তাবের আগে তিনি পরিকল্পনা করছিলেন যে, প্রতিবেশী এলাকায় গর্বের অনুভূতি জাগাতে অতিরিক্ত তহবিলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি ভাষণ দেবেন। তবে তিনি তা না দিয়ে, এপস্টেইন শিকারদের প্রতি দুঃখ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের মিথ্যা তথ্যের উপর ভিত্তি করে করা নিয়োগের জন্য দায় স্বীকার করেন। এই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শ্রম দলের সংসদ সদস্যদের তীব্র প্রশ্নের মুখে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি শ্রম দলের সংসদ সদস্যদের ‘রাগ ও হতাশা’ বুঝতে পারছেন।

শ্রম দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। রাচেল মাস্কেল, যিনি শ্রম দলের একজন সক্রিয় সদস্য এবং কল্যাণ কাটা নীতি নিয়ে সরকারের সমালোচক, স্টারমারের অবস্থানকে ‘অসহনীয়’ বলে উল্লেখ করেন এবং তার পদত্যাগকে ‘অনিবার্য’ বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, স্টারমার বহু মাস ধরে সংসদে না গিয়ে, পিটার ম্যান্ডেলসন ও জেফ্রি এপস্টেইনের সম্পর্ক সম্পর্কে জানার পরও তা গোপন রাখার জন্য দায়ী।

অন্য এক শ্রম দলের সংসদ সদস্য, যিনি নাম প্রকাশ না করতে চেয়েছেন, একইভাবে স্টারমারের নেতৃত্বে অব্যাহত থাকা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এটি মাসের পর মাস টার্মিনাল অবস্থায় ছিল, এখন রোগী আর কোনো চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে না’। আরেকজন সদস্যও যুক্তি দেন যে, সরকার বর্তমানে এই বিষয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই এবং ভবিষ্যতে পরিস্থিতি যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে।

তবে সব শ্রম দলের সদস্যই সমালোচক নয়। রাগবি থেকে নির্বাচিত এক সংসদ সদস্য শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে মত প্রকাশ করে বলেন, ‘শান্ত মাথা বজায় রাখতে হবে, প্রধানমন্ত্রী এখানে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছেন’। একই সঙ্গে ওয়েলসের একটি মিডিয়া চ্যানেল থেকে জানানো হয়েছে যে, কিছু শ্রম দলের সদস্য স্টারমারের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং তাকে সমর্থন করছেন।

শ্রম দলের অভ্যন্তরে এই বিভাজন ভবিষ্যতে সরকারের স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদি শ্রম দলের অধিকাংশ সদস্য স্টারমারের নেতৃত্বে অবিশ্বাস প্রকাশ করে, তবে তার সরকারকে অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়াতে হবে। অন্যদিকে, যদি সমর্থনকারী সদস্যরা তার পদক্ষেপকে যথাযথ বলে গণ্য করে, তবে সরকার এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে শ্রম দলের নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে স্পষ্ট যে, শ্রম দলের সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তীব্র সমালোচনা এবং পদত্যাগের দাবি প্রধানমন্ত্রীকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ফেলেছে। সরকার কীভাবে এই সংকট মোকাবেলা করবে এবং শ্রম দলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় কীভাবে গড়ে তুলবে, তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments