19 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনআইয়ুব বাচ্চুর মরণোত্তর একুশে পদক গ্রহণে স্ত্রী ফেরদৌসের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

আইয়ুব বাচ্চুর মরণোত্তর একুশে পদক গ্রহণে স্ত্রী ফেরদৌসের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

মরণোত্তর একুশে পদক প্রাপ্তির ঘোষণা শোনা মাত্রই আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা ফেসবুকে একটি বার্তা শেয়ার করে গর্ব ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পোস্টে উল্লেখ করেন যে, ২০২৬ সালের একুশে পদকে রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর) ভূষিত করেছেন। এই স্বীকৃতি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত শিল্পীর নয়, বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের সমগ্র ক্ষেত্রের জন্য রাষ্ট্রের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তা ব্যাখ্যা করেন।

চন্দনা পোস্টে জুড়ি বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই সম্মান তার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইয়ুব বাচ্চু এই সম্মান পুরোপুরি প্রাপ্য ছিলেন, তবে জীবদ্দশায় নিজ হাতে তা গ্রহণ করতে না পারার জন্য কিছুটা দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিল্পীরা যখন নিজের হাতে স্বীকৃতি পান তখনই তাদের আনন্দের শিখা সর্বোচ্চে পৌঁছায়। আইয়ুব বাচ্চু হয়তো জীবনে এই সুযোগ পেতে পারেননি, তাই তার এই অনুপস্থিতি তার জন্য একটি ক্ষতি হিসেবে রয়ে গেছে।

চন্দনা জানান, বাচ্চুর জীবদ্দশায় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিয়ে কখনও কখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা ও আফসোস ছিল। তবে তিনি এই বিষয়টি বিশদে আলোচনা করতে চান না, কেবলমাত্র উল্লেখ করেন যে, এমন স্বীকৃতি একজন শিল্পীর ক্যারিয়ারকে দু’ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।

বাচ্চু কখনও কখনও এই ধরনের স্বীকৃতি নিয়ে কথা বলতেন, কিন্তু এখন তিনি তা নিয়ে আলোচনা করতে চান না। তার মৃত্যুর পরেও এই পদক তাকে প্রদান করা হয়েছে, যা অনেক শিল্পীই কখনো পায় না। চন্দনা এই বিষয়টি তুলে ধরে, বাচ্চুর অবদানকে সম্মান জানাতে এই পদক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস প্রকাশ করেন।

২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত তালিকায় মোট নয়জন ব্যক্তিগত অর্জনকারী এবং একটি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত। তালিকায় আইয়ুব বাচ্চু (সংগীত), ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র), অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য), অর্থি আহমেদ (নৃত্য), ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা), শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা), অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা) এবং তেজস হালদার যস (ভাস্কর্য) অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকায় ওয়ারফেজ ব্যান্ডের নাম রয়েছে, যা দেশের রক সঙ্গীতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে। এই স্বীকৃতি ব্যান্ডের দীর্ঘায়ু ও সৃষ্টিশীলতা স্বীকৃতির একটি নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হবে।

একুশে পদকের এই সমন্বিত তালিকা দেশের বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের সমৃদ্ধি ও বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে। আইয়ুব বাচ্চুর মতো রক সঙ্গীতের পথিকৃৎকে এই সম্মান প্রদান করা শিল্পের বহুমুখিতা ও জাতীয় স্বীকৃতির প্রসারকে নির্দেশ করে।

চন্দনা শেষাংশে উল্লেখ করেন, এই পদক বাচ্চুর জন্য একটি নতুন সূচনা, যদিও তিনি শারীরিকভাবে উপস্থিত নন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীরা এই ধরনের স্বীকৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের সঙ্গীত সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

একুশে পদকের মাধ্যমে রক সঙ্গীতের মর্যাদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, দেশের সাংস্কৃতিক নকশায় নতুন দৃষ্টিকোণ যুক্ত হবে। এই স্বীকৃতি শিল্পী ও তাদের পরিবারকে গর্বিত করার পাশাপাশি, বাংলা সঙ্গীতের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি বাড়াতে সহায়তা করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments