আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এ গ্রুপ সি-তে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি এবং স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি ম্যাচগুলো নজরে থাকবে। এই গ্রুপে দুইবার শিরোপা জেতা ইংল্যান্ডের পাশাপাশি একবার শিরোপা জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের উপস্থিতি, এবং প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ইতালির যোগদানের ফলে প্রতিযোগিতার মাত্রা বাড়বে।
ইংল্যান্ড টুর্নামেন্টের শীর্ষে দাঁড়িয়ে আছে; টি২০ আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করা দলটি ২০১০ ও ২০২২ সালে শিরোপা জয় করেছে। শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন‑আপ এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে গঠিত এই দলটি টুর্নামেন্ট জয়ী হওয়ার জন্য পূর্ণ প্রস্তুত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজও দুইবারের শিরোপা ধারক হিসেবে গ্রুপে প্রবেশ করেছে। অতীতের স্মরণীয় ম্যাচগুলোতে উভয় দলই শিরোপা জয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, ফলে গ্রুপ সি-তে তাদের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচগুলো স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা বাড়াবে।
ইতালি এই সংস্করণের প্রথম টি২০ বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে, যা তাদের চমকপ্রদ কোয়ালিফিকেশন পারফরম্যান্সের পরিণতি। দলটির গ্রুপে প্রথম ম্যাচটি স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে হবে, যা কোয়ালিফিকেশন পর্যায়ে গড়ে ওঠা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
ইন্ডিয়া ও শ্রীলঙ্কার পিচে স্পিনের গুরুত্ব বিবেচনা করে ইংল্যান্ডের বোলিং পরিকল্পনায় অভিজ্ঞ স্পিনার আদিল রাশিদকে মূল অস্ত্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। রাশিদের বোলিং স্টাইল ও কৌশল গ্রুপের শর্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাশিদ সম্প্রতি আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে; গত সপ্তাহে দুই স্থান উপরে গিয়ে তিনি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নিয়ে চমৎকার ইকোনমি বজায় রেখেছেন। এই পারফরম্যান্স তাকে দলের বোলিং আর্মারির কেন্দ্রে রাখবে।
ক্যাপ্টেন হ্যারি ব্রুক, যিনি সম্প্রতি যোস বাটলার থেকে ক্যাপ্টেনশিপ গ্রহণ করেছেন, রাশিদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়ে তুলবেন। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রাশিদের বোলিং ব্যবহার করে তিনি ম্যাচের ফলাফলকে নিজের পক্ষে মোড়াতে চাইবেন।
ইংল্যান্ডের বর্তমান স্কোয়াডে হ্যারি ব্রুক (ক্যাপ্টেন), রেহান আহমেদ, জোফ্রা আর্চার, টম ব্যান্টন, জ্যাকব বেটহেল, জোস বাটলার, স্যাম কার্রান, লিয়াম ডসন, বেন ডাকেট, উইল জ্যাক্স, জেমি ওভারটন, আদিল রাশিদ, ফিল সল্ট, জোশ টং, এবং লুক উড অন্তর্ভুক্ত। এই খেলোয়াড়দের সমন্বয় দলকে টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম করবে।
গ্রুপ সি-র ম্যাচগুলো শিডিউল অনুযায়ী চলতে থাকবে, এবং প্রতিটি দলই পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রসর হওয়ার জন্য পয়েন্ট সংগ্রহে মনোযোগ দেবে। ইংল্যান্ডের পরবর্তী প্রতিপক্ষ ও ম্যাচের তারিখগুলো গ্রুপের আনুষ্ঠানিক সূচিতে উল্লেখ থাকবে, যা ভক্তদের জন্য প্রত্যাশার দিক নির্ধারণ করবে।



