22 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণের গুরুত্ব জোর দিলো

ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণের গুরুত্ব জোর দিলো

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (EOM) আজ ঢাকা, আগারগাঁও-এ নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে চিফ ইলেকশন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন ও চারজন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশের আসন্ন ভোটের নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেছে। মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস উল্লেখ করেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ভোটের স্বচ্ছতা ও বৈধতা হুমকির মুখে পড়বে।

ইজাবসের মতে, “The first one is, of course security situation. We really want to see in Bangladesh secure and safe elections according to the principles of law-and-order. And with that, the participatory dimension is important, including women and minorities. This is one of our priorities.” তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলার ভিত্তিতে নিরাপদ ভোট নিশ্চিত করা মিশনের প্রধান লক্ষ্য।

অংশগ্রহণের দিক থেকে, মিশন নারী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এধরনের অন্তর্ভুক্তি ভোটের বৈধতা বাড়াবে এবং সমাজের সব স্তরে রাজনৈতিক স্বরকে শক্তিশালী করবে।

নির্বাচনের ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য ইজাবস যোগ করেন, “We are also dealing with the level playing field of the elections for all candidates in all three hundred constituencies.” তিনি উল্লেখ করেন, তিনশটি সংসদীয় এলাকা জুড়ে সকল প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করা মিশনের আরেকটি মূল দিক।

ইইউ মিশনের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়, তারা কোনো পরামর্শ বা সংশোধনমূলক হস্তক্ষেপে জড়াবে না; বরং পর্যবেক্ষণ করে এবং মিশন সমাপ্তির পর তাদের পর্যবেক্ষণ ফলাফল উপস্থাপন করবে। “Our role here is not to get involved in advising or correcting. Our role is to observe and then to transmit our observations afterwards when the mission is over,” ইজাবস এভাবে মিশনের সীমা নির্ধারণ করেন।

মিশন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভোটকে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য করার আশায় রয়েছে। তিনি বলেন, “We are keeping fingers crossed for Bangladesh.” এই মন্তব্যে মিশনের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ পায়।

পর্যবেক্ষণ দল ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। অতিরিক্তভাবে, পরের দিন থেকে স্বল্পমেয়াদী পর্যবেক্ষক পাঠিয়ে প্রতিটি জেলায় উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। এই বিস্তৃত উপস্থিতি ভোটের প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের স্বচ্ছতা পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে।

ইইউ মিশনের শেষ মন্তব্যে তিনি যোগ করেন, “We in Europe are really looking forward to cooperating with a developed, free, and democratic Bangladesh.” এই বক্তব্যে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ পায়।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, যদি ভোট নিরাপদ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সুনাম বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নে সহায়তা করবে। অন্যদিকে, নিরাপত্তা বা অংশগ্রহণে কোনো ঘাটতি ঘটলে মিশনের রিপোর্টে সমালোচনা উঠে আসতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত নীতিতে প্রভাব ফেলবে।

মিশন ভোটের পুরো সময়কাল জুড়ে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে এবং ফলাফল সংকলন করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে উপস্থাপন করবে। এই প্রক্রিয়া দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments