প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলমের প্রেস সচিবের বিবরণ অনুযায়ী, ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশ সরকার ১১৬টি অধ্যাদেশ জারি করেছে এবং একই সময়ে ১৪টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত একটি ব্রিফিং‑এ উপদেষ্টা পরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হয়। ব্রিফিংয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারিম সরকারের গৃহীত আইনগত ও নীতিগত পদক্ষেপের সমগ্র চিত্র উপস্থাপন করা, যাতে সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডার বর্তমান অগ্রগতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।
প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, ইন্টারিম সরকার গৃহীত কাজগুলোকে অর্ডিন্যান্স, নীতি, পলিসি এবং অন্যান্য স্বাক্ষরিত নথি হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করে একটি বিশদ প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত করা হয়েছে। এই উপস্থাপনে মোট ১১৬টি অধ্যাদেশের তালিকা, তাদের বিষয়বস্তু এবং কার্যকরী তারিখ স্পষ্টভাবে দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি, অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে জরুরি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নীতি ও পলিসি স্তরে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গঠন করা হয়েছে, যা সরকারী কার্যক্রমের বহুমুখী দিককে প্রতিফলিত করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এখন পর্যন্ত ৬৮টি সাপ্তাহিক কেবিনেট বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা প্রত্যেক সপ্তাহে সরকারের শীর্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে নিশ্চিত করে। এই বৈঠকগুলোতে মোট ৫২৬টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে অর্থনীতি, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ নীতি অন্তর্ভুক্ত। বৈঠকের ধারাবাহিকতা এবং সিদ্ধান্তের পরিমাণ ইন্টারিম সরকারের দ্রুত কাজ করার ইচ্ছা ও সক্ষমতা প্রকাশ করে, যা দেশের প্রশাসনিক গতি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
প্রেস সচিবের তথ্য অনুযায়ী, ৫২৬টি সিদ্ধান্তের মধ্যে ৪৩৯টি ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে, ফলে ইন্টারিম সরকারের ইমপ্লিমেন্টেশন হার ৮৩ শতাংশে পৌঁছেছে। এই উচ্চ শতাংশ সরকারী নীতির কার্যকরী প্রয়োগের সূচক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং জনসাধারণের মধ্যে সরকারের কার্যকারিতা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। পূর্ববর্তী সরকারী



