22 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঐক্য আইসিসি সংস্কারের সম্ভাবনা তৈরি করছে

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঐক্য আইসিসি সংস্কারের সম্ভাবনা তৈরি করছে

বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারত ভ্রমণ প্রত্যাখ্যানের ফলে টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারছে না, আর পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দুই দেশের সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সম্ভাব্য শাস্তির মুখে, তবে পিসিবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি স্বল্পমেয়াদে ক্ষতি হলেও দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক পরিবর্তন আশা করছেন।

২৪ জানুয়ারি আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার কয়েক দিন পর, ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দেয়। দুই দেশের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শাসন কাঠামোতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ভারত‑পাকিস্তান ম্যাচ টি‑টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রধান আয় উৎস। তাই পাকিস্তানের এই ঘোষণা আইসিসির জন্য তীব্র চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইসিসি পাকিস্তানকে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়।

১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ম্যাচের দিন যত কাছাকাছি আসছে, পরিস্থিতি ততই তীব্রতর হচ্ছে। আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি, ফলে টুর্নামেন্টের সূচি ও আয় উভয়ই অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

নাজাম শেঠি উল্লেখ করেন, আইসিসি পূর্বে পাকিস্তানের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করেনি এবং এবার বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগকে যথাযথভাবে বিবেচনা না করে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, “আইসিসি আমাদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছে। এখন বাংলাদেশকেও এক অর্থে উপেক্ষা করা হয়েছে।”

শেঠি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্মিলিত জনসংখ্যা প্রায় ৪০ কোটি, যা আইসিসির নীতিমালা পরিবর্তনের জন্য শক্তিশালী প্রভাবের ভিত্তি হতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এখনই দাঁড়িয়ে যাওয়ার সময়।” এই অবস্থানকে তিনি দুই দেশের জনগণের ঐক্যবদ্ধ চেতনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যৌথ অবস্থান আইসিসিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিপরীতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে। “বিসিসিআই আইসিসিকে নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে নীতি অসম হয়ে যায়,” শেঠি বলেন, যা সাময়িক ক্ষতি সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ন্যায়সঙ্গত ও সংস্কারকৃত আইসিসি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

শেঠি স্বীকার করেন, পাকিস্তানের ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ নিয়ে সিদ্ধান্তটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তিনি বলেন, “আমি পিসিবির মুখপাত্র নই, তবে এই বিষয়টি সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত,” এবং উভয় দেশের নেতৃত্বকে সংলাপের দরজা খুলে রাখতে আহ্বান জানান।

আইসিসি এখন পর্যন্ত পাকিস্তানকে পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ দিয়েছে, তবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। একই সঙ্গে, বিসিবি (বিসিবি) ও বিসিসিআই (বিসিসিআই) টুর্নামেন্টের আর্থিক ও ক্রীড়া দিক থেকে প্রভাব বিবেচনা করে চলেছে।

এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের শিডিউল, আর্থিক প্রবাহ এবং আইসিসির শাসন কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলমান। উভয় দেশের সমর্থক ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভক্তদের দৃষ্টি এখন এই আলোচনার ফলাফলে কেন্দ্রীভূত।

পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, তবে নাজাম শেঠির মতে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঐক্য আইসিসির সংস্কারের দরজা খুলে দিতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ন্যায়সঙ্গত পরিচালনা নিশ্চিত করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments