জাতীয় সিলেকশন কমিটি দুই দিন পর শুরু হওয়া টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তের মুখে। ওয়াশিংটন সানডারকে নিয়ে আলোচনা চলছে এবং বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মেডিক্যাল রিপোর্টের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্টে তার শারীরিক অবস্থার স্পষ্টতা না পাওয়া পর্যন্ত দলীয় পরিবর্তন সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।
২৬ বছর বয়সী অল-রাউন্ডার সানডার গত মাসে পাশের পেশিতে টান পেয়ে মাঠ থেকে দূরে ছিলেন। সেই আঘাতের পর থেকে তিনি পুনর্বাসন প্রোগ্রামে যুক্ত আছেন এবং ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণ মাঠে ফিরে আসছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, তবে সম্পূর্ণ ফিটনেসের নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।
সিলেক্টরদের দৃষ্টিতে এখনো কোনো বিকল্প খেলোয়াড়ের নাম উঠে আসেনি। অজিত আগারকার এবং সহকর্মীরা প্রকাশ্যে কোনো প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলেননি। দলীয় তালিকা চূড়ান্ত করার আগে তারা সানডারের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার ফলাফলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
সানডার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ তিনি ব্যাটিং ও বোলিং উভয় ক্ষেত্রেই সমান অবদান রাখতে সক্ষম। পূর্বের সিরিজে তার মাঝারি গতি বোলিং এবং মাঝারি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দলকে সমর্থন করেছে। তাই তার উপস্থিতি না থাকলে ব্যাটিং গভীরতা এবং পেশি বিকল্পে প্রভাব পড়তে পারে, যা সিলেক্টরদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।
বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী ভারতীয় দল দুই দিনের মধ্যে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে। এই সময়সীমা দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড জমা দেওয়ার শেষ তারিখের কাছাকাছি, ফলে সিলেক্টরদের সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে হবে। সানডারের ফিটনেস নিশ্চিত হলে তিনি স্বাভাবিকভাবে দলে অন্তর্ভুক্ত হবেন, অন্যথায় বিকল্পের দিকে ঝুঁকতে পারে।
বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের কাজ হল খেলোয়াড়ের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করা এবং চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করা। সানডারের ক্ষেত্রে তারা তার পেশির টান, পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট প্রস্তুত করবে। এই রিপোর্টই শেষ সিদ্ধান্তের ভিত্তি হবে।
এ পর্যন্ত সিলেকশন কমিটি কোনো নতুন খেলোয়াড়ের নাম উল্লেখ করেনি এবং সানডারের পরিবর্তে কে আসবে তা নিয়ে কোনো গুজব ছড়ায়নি। সব দৃষ্টিভঙ্গি এখনো সানডারের পুনরুদ্ধার এবং সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মতামতের ওপর কেন্দ্রীভূত।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি শিবিরে চলবে এবং সিলেক্টররা শেষ মুহূর্তে খেলোয়াড়দের ফিটনেস যাচাই করবেন। সানডার যদি ফিটনেসের সব মানদণ্ড পূরণ করেন, তবে তিনি দলের সঙ্গে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করতে পারবেন।
সিলেকশন কমিটি শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের রিপোর্ট পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। সানডার এখনও দলে থাকার সম্ভাবনা বজায় রয়েছে এবং তার ফিটনেসের ওপর নির্ভর করে শেষ মুহূর্তের পরিবর্তন হতে পারে।



