26 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবিল গেটস এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ক্ষমা চেয়ে মন্তব্য, মেলিন্ডা প্রকাশে বেদনাদায়ক...

বিল গেটস এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ক্ষমা চেয়ে মন্তব্য, মেলিন্ডা প্রকাশে বেদনাদায়ক স্মৃতি

বিল গেটস, মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা, জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার অতীত সংযোগ সম্পর্কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সময়ে, তার প্রাক্তন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস এপস্টেইনের ফাঁস হওয়া নথি নিয়ে ব্যক্তিগত বেদনাদায়ক স্মৃতি ও অমীমাংসিত প্রশ্নের কথা উল্লেখ করেছেন।

গেটস জানান, ২০১১ সালে তিনি প্রথমবার এপস্টেইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরবর্তী তিন বছর ধরে কয়েকবার ডিনার সভায় অংশ নেন। তবে তিনি কখনো এপস্টেইনের ক্যারিবীয় দ্বীপে গিয়েছেন না এবং কোনো নারীর সঙ্গে অশ্লীল সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছেন।

গেটস অতীতের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য গভীর অনুতাপ প্রকাশ করে, এবং তার আচরণে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে তবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এপস্টেইনের দ্বারা প্রকাশিত একটি খসড়া ই‑মেইল কখনো পাঠানো হয়নি এবং তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। গেটসের মতে, তিনি জানেন না এপস্টেইন কী উদ্দেশ্যে সেই নথি তৈরি করেছিল, তবে সম্ভাবনা আছে যে এটি তাকে আক্রমণ করার চেষ্টার অংশ হতে পারে।

লিক হওয়া নথিতে গেটসকে মাদক সরবরাহ, রুশ মেয়ে ও বিবাহিত নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক সহজ করার অভিযোগ করা হয়েছে। গেটস ও তার মুখপাত্র এই সব অভিযোগকে কঠোরভাবে নাকচ করে, বলেন যে এসব দাবি ভিত্তিহীন এবং কোনো প্রমাণের অভাব রয়েছে।

গেটসের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, এই নথিগুলি মূলত এপস্টেইনের হতাশা প্রকাশ করে যে তিনি গেটসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেননি। এপস্টেইন তার স্বার্থে গেটসকে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন।

মেলিন্ডা গেটস এপস্টেইনের নথি প্রকাশের পর নিজের বিবাহিত জীবনের বেদনাদায়ক মুহূর্তগুলো পুনরায় স্মরণে আনা হয়েছে বলে জানান। তিনি স্বীকার করেন, এসব বিষয় যখন উন্মোচিত হয়, তখন তার জন্য মানসিকভাবে খুব কঠিন হয়ে ওঠে।

মেলিন্ডা জোর দিয়ে বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরই দিতে হবে এবং তা অবিলম্বে প্রকাশ করা উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই নথিগুলি এখনও অনেক অনির্ধারিত বিষয়কে উন্মোচন করে, যা স্পষ্ট উত্তর দাবি করে।

বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। তাদের বিচ্ছেদ পরেও দুজনই মানবিক ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে এপস্টেইনের সঙ্গে সংযোগের বিষয়টি তাদের ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।

জেফরি এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে আত্মহত্যা করেন, যা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। তার মৃত্যুর পরেও তার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ও সংযোগের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

গেটস উল্লেখ করেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার মূল আলোচনার বিষয় ছিল বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ধনী দাতাদের অর্থ সহায়তা। তবে তিনি স্বীকার করেন, সেই আলোচনার কোনো বাস্তব ফলাফল অর্জিত হয়নি এবং তা কেবল কথোপকথনে সীমাবদ্ধ রইল।

এপস্টেইনের নথি ফাঁসের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা ও বিভিন্ন আইনগত সংস্থা এই বিষয়টি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে। গেটস ও মেলিন্ডা উভয়েই এই তদন্তের ফলাফল ও সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর প্রত্যাশা করছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments