19 C
Dhaka
Thursday, February 5, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিটেড ক্রুজ নেটফ্লিক্স ও ওয়ার্নার ব্রাদার্স অধিগ্রহণ শোনানির সময় বিলি ইলিশের গ্র্যামি...

টেড ক্রুজ নেটফ্লিক্স ও ওয়ার্নার ব্রাদার্স অধিগ্রহণ শোনানির সময় বিলি ইলিশের গ্র্যামি বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন করেন

সেনেটের অ্যান্টিট্রাস্ট শোনানিতে টেড ক্রুজ নেটফ্লিক্সের অধিগ্রহণ পরিকল্পনা এবং ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি সম্পর্কিত আলোচনার সময় নেটফ্লিক্সের সিইও টেড সারান্ডোস এবং কোম্পানির চিফ রেভিনিউ অফিসার ব্রুস ক্যাম্পবেলকে গ্র্যামি পুরস্কার অনুষ্ঠানে বিলি ইলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করেন।

ক্রুজের প্রশ্নের মূল বিষয় ছিল ইলিশের গ্র্যামি স্বীকৃতি অনুষ্ঠানে ‘স্টোলেন ল্যান্ড’ (চুরি করা ভূমি) সম্পর্কে মন্তব্য, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভূমি অধিকার নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি সরাসরি জিজ্ঞাসা করেন, “আপনারা কি গ্র্যামি দেখেছেন এবং কি মনে করেন আমরা বর্তমানে চুরি করা ভূমিতে আছি কিনা?”।

সারান্ডোস প্রশ্নের মুখে অস্বস্তিকর হাসি দিয়ে উত্তর দেন যে তিনি আজকের স্থানের ঐতিহাসিক পটভূমি সম্পর্কে অবগত নন। তার এই উত্তরকে ক্রুজ তীব্র সমালোচনা করেন, উল্লেখ করে যে দুজনেই স্পষ্টভাবে ‘না, আমরা চুরি করা ভূমিতে নেই’ বলে না বলতে পারার ফলে শিল্পের বামপন্থী প্রবণতা প্রকাশ পায়।

ক্রুজ আরও বলেন, গ্র্যামি অনুষ্ঠানে কোনো শিল্পী যখন ‘কেউই অবৈধ নয় চুরি করা ভূমিতে’ এমন বক্তব্য দেন, তখন তা আমেরিকাকে মৌলিকভাবে অবৈধ হিসেবে উপস্থাপন করার ইঙ্গিত দেয়। তিনি ইলিশের মন্তব্যকে ‘বিনোদন জগৎকে গভীরভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে উল্লেখ করেন।

ইলিশের নাম না উল্লেখ করে ক্রুজ উল্লেখ করেন, শিল্পীটি তার $১৪ মিলিয়ন মূল্যের বাসায় ফিরে গেছেন এবং চুরি করা ভূমি নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। ইলিশের প্রতিনিধিরা এই মন্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন।

গ্র্যামি অনুষ্ঠানে ইলিশের বক্তৃতা মূলত আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) নীতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি সমালোচনা নিয়ে গঠিত ছিল। তিনি তার গানের স্বীকৃতির সময় ‘ফাক আইসিই’ বলে প্রকাশ করেন এবং ‘কেউই অবৈধ নয় চুরি করা ভূমিতে’ বলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সঙ্গীত শিল্পের অন্যান্য সদস্যরাও সাম্প্রতিক সময়ে আইসিই-এর কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সমালোচনা বাড়িয়ে তুলেছেন, বিশেষ করে মিনিয়াপোলিসে অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুডের গুলি চালনার পর। এই ঘটনাগুলি শিল্পীদের মধ্যে অভিবাসন নীতি ও মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা তীব্র করেছে।

সেনেট শোনানিতে নেটফ্লিক্সের ওয়ার্নার ব্রাদার্স অধিগ্রহণের সম্ভাব্য একচেটিয়া বাজার গঠন ও প্রতিযোগিতা হ্রাসের বিষয়ও আলোচিত হয়। ক্রুজের প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি এই অধিগ্রহণের সাংস্কৃতিক প্রভাব এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সম্ভাব্য ঝুঁকি তুলে ধরতে চেয়েছেন।

সারান্ডোস এবং ক্যাম্পবেল শোনানিতে নেটফ্লিক্সের অধিগ্রহণের আর্থিক ও নিয়ন্ত্রক দিক নিয়ে ব্যাখ্যা দেন, তবে ইলিশের মন্তব্যের ওপর তাদের কোনো স্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।

এই শোনানি পরবর্তী সপ্তাহে নেটফ্লিক্সের অধিগ্রহণ পরিকল্পনা নিয়ে আরও গভীর আলোচনা এবং সম্ভাব্য বিধিনিষেধের দিকে নিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে, শিল্পের রাজনৈতিক মন্তব্যের ওপর সেনেটের নজরদারি বাড়তে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, যদি শোনানিতে নেটফ্লিক্সের অধিগ্রহণের অনুমোদন না হয়, তবে স্ট্রিমিং সেক্টরে প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে নতুন নিয়মের প্রয়োজন হতে পারে। অন্যদিকে, ইলিশের মতো শিল্পীর রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর সরকারি দৃষ্টিভঙ্গি আরও তীব্র হতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, টেড ক্রুজের প্রশ্ন নেটফ্লিক্সের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং আমেরিকান সংস্কৃতিতে রাজনৈতিক বক্তব্যের সংযোগকে একসাথে তুলে ধরেছে, যা ভবিষ্যতে উভয় ক্ষেত্রেই নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments