21 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইন্টারনেট বন্ধের গুজবের কোনো সরকারি ঘোষণা নেই: রুমর স্ক্যানার যাচাই

ইন্টারনেট বন্ধের গুজবের কোনো সরকারি ঘোষণা নেই: রুমর স্ক্যানার যাচাই

গৃহ বিষয়ক উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নির্বাচন দিবসে ইন্টারনেট বন্ধের কোনো ঘোষণা দেননি, এ বিষয়ে রুমর স্ক্যানার দল স্পষ্টভাবে তথ্য যাচাই করেছে। গুজবটি উপদেষ্টার নাম ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তবে কোনো প্রমাণ বা সরকারী নথি এই দাবিকে সমর্থন করে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “ইন্টারনেট নির্বাচন দিবসে বন্ধ হবে! গৃহ বিষয়ক উপদেষ্টার চমকপ্রদ ঘোষণা” শিরোনামের একটি ভিডিও দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। ভিডিওটি টিকটকে শেয়ার করা স্ক্রিনশটের সঙ্গে একই থাম্বনেইল ব্যবহার করে, যা গুজবের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

রুমর স্ক্যানারের তদন্ত দল ১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ইউটিউব চ্যানেল “Aaf Times”‑এর ভিডিওটি অনুসন্ধান করে। থাম্বনেইলে দেখা যায় উপদেষ্টার নাম দিয়ে ইন্টারনেট বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, তবে ভিডিওর মূল বিষয়বস্তু ভিন্ন।

ভিডিওতে উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে বলেন, যদি নির্বাচন দিবসে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়, তবে তা অবৈধ হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্য থাম্বনেইলে প্রদর্শিত গুজবের বিপরীত, যা ইন্টারনেট বন্ধের ঘোষণা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।

তদন্তের ফলাফল থেকে স্পষ্ট হয় যে গুজবের মূল সূত্র সম্ভবত এই ইউটিউব ভিডিও থেকে উদ্ভূত। থাম্বনেইলটি পরিবর্তন করে গুজবের রূপ নেয়, ফলে দর্শকরা ভিডিওটি দেখার আগেই ভুল ধারণা পায়।

গৃহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা উপদেষ্টার পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো প্রকাশনা পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রধান সংবাদমাধ্যমে এই ধরনের কোনো ঘোষণার প্রতিবেদন নেই, যা নির্দেশ করে যে গুজবের ভিত্তি শূন্য।

নির্বাচন দিবসের প্রস্তুতি চলাকালে ইন্টারনেট সেবা বজায় রাখার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে। গুজবের উত্থান এই সমন্বয়কে ব্যাহত করতে পারে, তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত স্পষ্টীকরণ প্রদান করেছে।

মন্তব্যে বলা হয়েছে, গুজবের বিস্তার রোধে তথ্য সংস্থাগুলোকে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত এবং জনগণকে সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করতে উৎসাহিত করা দরকার। সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।

অধিকন্তু, নির্বাচন কমিশনও গুজবের প্রভাব কমাতে তথ্য প্রচার অভিযান চালাবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ নেবে। এই ধরনের প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে অনুরূপ গুজবের পুনরাবৃত্তি রোধে সহায়ক হবে।

সারসংক্ষেপে, গৃহ বিষয়ক উপদেষ্টার পক্ষ থেকে ইন্টারনেট বন্ধের কোনো ঘোষণা নেই, এবং গুজবটি মূলত একটি ভিডিও থাম্বনেইল পরিবর্তনের ফল। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও মিডিয়া উভয়ই সঠিক তথ্যের প্রচারকে অগ্রাধিকার দেবে।

এই ঘটনা দেখায় যে ডিজিটাল যুগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। গুজবের দ্রুত বিস্তার রোধে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি সংস্থার সময়মত ব্যাখ্যা প্রদানই মূল চাবিকাঠি।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments