হারারেতে অনুষ্ঠিত উন্মাদনা পূর্ণ যুব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ১৭ বছর বয়সী ফয়সাল খান ৯৩ বলের মধ্যে ১১০ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের জয় নিশ্চিত করেন। ভারত ক্রিকেট দলকে ৩১১ রান লক্ষ্য রেখে আফগানদের জোড়া শতক গড়ে তুলতে এই পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফয়সাল খানের ইনিংসটি ১৫টি চতুর্থের মাধ্যমে সাজানো ছিল, যা তাকে এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি অর্জনকারী করে তুলেছে। তার আক্রমণাত্মক শটের ধারাবাহিকতা এবং দ্রুত রানের গতি ম্যাচের গতি ত্বরান্বিত করে, ফলে ভারত ক্রিকেট দলের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা ব্যাহত হয়।
এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে ফয়সাল এখন পর্যন্ত তার যুব ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ছয়টি শতক রেকর্ডে যুক্ত করেছেন। পূর্বে এই রেকর্ডটি তাওহিদ হৃদয় ও উন্মুক্ত চাঁদ প্রত্যেকে পাঁচটি করে সেঞ্চুরি করে ভাগ করে রেখেছিলেন। ফয়সালের দ্রুত অগ্রগতি তাকে এই শীর্ষে নিয়ে এসেছে।
পাকিস্তানের সামি আসলামের তুলনায় ফয়সাল খান কম ম্যাচে বেশি সেঞ্চুরি করেছেন; আসলামের ছয়টি শতক ৪০ ম্যাচে অর্জিত হলেও ফয়সাল মাত্র ২২ ম্যাচে একই সংখ্যা ছুঁয়েছেন। এই পার্থক্য তার ধারাবাহিকতা এবং শৈল্পিক দক্ষতাকে তুলে ধরে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।
টুর্নামেন্টের বর্তমান পর্যায়ে ফয়সাল প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৪০০ রানের সীমা অতিক্রম করেছেন। এই মাইলফলক তাকে দলের শীর্ষ স্কোরার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং পরবর্তী ম্যাচে তার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় অর্ধে উজাইরউল্লাহ নিয়াজাই ৮৬ বলে অচল না থেকে ১০১* রান তৈরি করেন। দুজনের সম্মিলিত ২১১ রান ভারত ক্রিকেট দলের লক্ষ্যকে ৩১১ রানে সীমাবদ্ধ রাখে, যা ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল এখন ফাইনালে ভারত ক্রিকেট দলের মুখোমুখি হবে, যা ২০২৪ সালের জুন মাসে নির্ধারিত হয়েছে। উভয় দলে শীর্ষ পারফরম্যান্সকারী খেলোয়াড়দের উপস্থিতি ম্যাচকে আকর্ষণীয় করে তুলবে এবং ভক্তদের জন্য উত্তেজনা বাড়াবে।



