22 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধএপস্টেইন তদন্তে প্রকাশিত নথিতে ইলন মাস্ক ও বিল গেটসের ইমেইল প্রকাশিত

এপস্টেইন তদন্তে প্রকাশিত নথিতে ইলন মাস্ক ও বিল গেটসের ইমেইল প্রকাশিত

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি জেফ্রি এপস্টেইন সম্পর্কিত বিশাল পরিমাণ নথি প্রকাশ করেছে। এই নথিগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাপী পরিচিত ধনী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে ইলন মাস্ক ও বিল গেটসের ইমেইল বিনিময়ও রয়েছে। নথিগুলোতে নামের উপস্থিতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধের ইঙ্গিত দেয় না, তবে তদন্তের অংশ হিসেবে এগুলো জনসাধারণের নজরে এসেছে।

এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের আওতায় নথি প্রকাশের প্রক্রিয়া নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুরু হয়। ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, ৩০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে লক্ষাধিক নথি সম্পাদিত আকারে প্রকাশিত হয়। এই নথিগুলোতে এপস্টেইনের আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগের রেকর্ড এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে তার সম্পর্কের প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত।

কিছু ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা দাবি করছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন এখনও সব নথি প্রকাশে ব্যর্থ হয়েছে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট এখনও সংরক্ষিত রয়েছে। তারা উল্লেখ করছেন যে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তদন্তের পূর্ণতা নিশ্চিত করা কঠিন।

প্রকাশিত নথির মধ্যে ইলন মাস্কের সঙ্গে এপস্টেইনের ইমেইল আদান-প্রদান স্পষ্ট হয়েছে। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে মাস্ক এপস্টেইনকে লিখে তার ব্যক্তিগত দ্বীপে অনুষ্ঠিত পার্টি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি আবারও দ্বীপের পার্টি পরিবেশে অংশ নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যদিও তার ভাষা কখনও কখনও দ্বীপের শান্তিপূর্ণ পরিবেশের বিপরীত দিকেও ইঙ্গিত দেয়।

ইলন মাস্ক, যিনি টেসলা (Tesla) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছেন, পরে জানিয়েছেন যে তিনি কখনো এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি এবং কোনো অবৈধ কার্যকলাপে যুক্ত হননি। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে তার সঙ্গে এপস্টেইনের কোনো অপরাধমূলক সংযোগ নেই।

জানুয়ারি মাসে মাস্কের একটি পোস্টে তিনি স্বীকার করেন যে প্রকাশিত ইমেইলগুলো তার নামের ওপর দাগ লাগাতে ব্যবহার হতে পারে। তবু তিনি উল্লেখ করেন যে তার প্রধান উদ্বেগ হল এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্ত যারা গুরুতর অপরাধ করেছে তাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজেকে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত না করে ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়িয়ে আছেন।

বিল গেটসের নামেও এপস্টেইনের ইমেইল থেকে দুটি খসড়া পাওয়া গেছে। এই খসড়াগুলো ১৮ জুলাই ২০১৩ তারিখে তৈরি হয় বলে রেকর্ডে উল্লেখ আছে, তবে সেগুলো গেটসকে কখনো পাঠানো হয়েছে কিনা বা সত্যিকারের যোগাযোগের অংশ ছিল কিনা তা নিশ্চিত করা যায়নি।

বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন সম্পর্কিত কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের প্রমাণ নথিতে পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র খসড়া রূপে ইমেইলগুলো পাওয়া গিয়েছে, যা এখনও তদন্তের অধীনে রয়েছে।

ফেডারেল তদন্তকারী সংস্থা এপস্টেইনের অপরাধের সম্পূর্ণ পরিধি নির্ধারণের জন্য নথি বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে। নথিগুলোর ভিত্তিতে অতিরিক্ত সাক্ষাৎকার, আর্থিক লেনদেনের ট্রেস এবং সম্ভাব্য সহ-অপরাধীদের সনাক্তকরণ কাজ চলছে।

নাম উল্লেখের সময় আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। প্রকাশিত নথিতে নামের উপস্থিতি অপরাধের স্বীকৃতি নয়, এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখনও তাদের সংশ্লিষ্ট অবস্থান থেকে মন্তব্য করার সুযোগ পেতে পারেন।

সারসংক্ষেপে, এপস্টেইন নথির প্রকাশে বিশ্বব্যাপী পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগের তথ্য উন্মোচিত হয়েছে, তবে এই তথ্যগুলোকে অপরাধের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা এখনও আইনগত প্রক্রিয়ার অধীনে। তদন্ত চলমান, এবং ভবিষ্যতে আরও নথি প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments