24 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যপিটার অ্যাটিয়া ডেভিড প্রোটিনের চিফ সায়েন্স অফিসার পদ থেকে পদত্যাগ

পিটার অ্যাটিয়া ডেভিড প্রোটিনের চিফ সায়েন্স অফিসার পদ থেকে পদত্যাগ

ডেভিড প্রোটিনের প্রতিষ্ঠাতা সোমবার X-এ জানিয়েছেন যে দীর্ঘায়ু বিশেষজ্ঞ ডা. পিটার অ্যাটিয়া কোম্পানির চিফ সায়েন্স অফিসার পদ থেকে সরে গেছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে এপস্টেইন সম্পর্কিত বিশাল ফাইল ডাম্পে তার নামের উপস্থিতি রয়েছে, যা নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে শুক্রবার প্রকাশিত হয়।

ডা. পিটার অ্যাটিয়া কানাডা-আমেরিকান চিকিৎসক, যিনি দীর্ঘায়ু ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অন্যতম স্বীকৃত কণ্ঠস্বর। তিনি ‘আউটলাইভ: দ্য সায়েন্স অ্যান্ড আর্ট অফ লংইভিটি’ শিরোনামের বেস্টসেলিং বইয়ের লেখক এবং সাত বছর পুরনো পডকাস্টের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অপ্টিমাইজেশন নিয়ে আলোচনা করেন। সম্প্রতি তিনি সিবিএসের (Cbs) সঙ্গে অবদানকারী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

ডেভিড প্রোটিন, নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক তিন বছর বয়সী একটি স্টার্টআপ, উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টি বার উৎপাদনে বিশেষজ্ঞ। কোম্পানিটি গত বছর মে মাসে গ্রিনোয়াক্সের নেতৃত্বে ৭৫ মিলিয়ন ডলারের সিরিজ এ ফান্ডিং সংগ্রহ করে, যেখানে ভ্যালর ইকুইটি পার্টনারসও অংশগ্রহণ করে। এই তহবিলের মাধ্যমে ডেভিড প্রোটিন তার উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণে ত্বরান্বিত করেছে।

কোম্পানির প্রধান পণ্য হল একটি প্রোটিন বার, যা সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ বাজারে প্রবেশ করায়। এই বারে ২৮ গ্রাম প্রোটিন, শূন্য চিনি এবং মাত্র ১৫০ ক্যালোরি রয়েছে, যা ফিটনেস ও ডায়েট সচেতন গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় বিকল্প হিসেবে বিবেচিত। লঞ্চের পর থেকে বিক্রয় ও গ্রাহক সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর অ্যাটিয়া X-এ একটি দীর্ঘ পোস্ট লিখে তার এপস্টেইন সঙ্গে ইমেইল বিনিময়ের কিছু বিষয় নিয়ে লজ্জা প্রকাশ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে তিনি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না এবং এপস্টেইনের দ্বীপে কখনো যাননি, না তার বিমানেও চড়েছেন। তার বক্তব্যে তিনি ২০০৮ সালে এপস্টেইনের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেও কেন সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন।

এপস্টেইন ফাইল ডাম্পে অ্যাটিয়ার নাম ১,৭০০ টিরও বেশি ডকুমেন্টে পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ইমেইল ও অন্যান্য যোগাযোগের রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত। এই ডকুমেন্টগুলো শুক্রবার প্রকাশিত হয় এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ডকুমেন্টগুলোতে অ্যাটিয়ার এপস্টেইনের সঙ্গে কিছু কাঁচা কথোপকথন দেখা যায়, তবে তিনি দাবি করেন যে এই কথোপকথনগুলো কোনো অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়।

ডেভিড প্রোটিনের পাশাপাশি অ্যাটিয়া সহ-প্রতিষ্ঠা করা বায়োগ্রাফ নামক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও দীর্ঘায়ু স্টার্টআপও এই ঘটনার প্রভাব অনুভব করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বায়োগ্রাফের পক্ষ থেকে অ্যাটিয়ার বর্তমান ভূমিকা বা তার ওয়েবসাইটে পূর্বে উল্লেখিত তথ্য সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। কোম্পানি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।

ডা. পিটার অ্যাটিয়ার এই পদত্যাগ ও এপস্টেইন ফাইলের প্রকাশের ফলে দীর্ঘায়ু ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সহযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি তার পেশাগত কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং কোনো আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হননি।

পাঠকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যে, স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করা তথ্য গ্রহণ করা উচিত। কোনো সন্দেহজনক বিষয় বা নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ঘোষণার দিকে নজর দেওয়া বাঞ্ছনীয়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: TechCrunch
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments