19 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবিসিবি শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মাঠ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মিডিয়া প্রবেশ বিধিনিষেধের ওপর তীব্র...

বিসিবি শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মাঠ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মিডিয়া প্রবেশ বিধিনিষেধের ওপর তীব্র বিতর্ক

মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবি পরিচালনা ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ নেতৃত্বে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে দেশব্যাপী নতুন উইকেট নির্মাণের বিশদ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয় এবং মিডিয়া প্রবেশের বিধিনিষেধ নিয়ে তীব্র প্রশ্নোত্তর সঞ্চালিত হয়।

খালেদ মাসুদ প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করেন, সেন্টার উইকেট ও অনুশীলন উইকেট মিলিয়ে মোট ১৩৭টি নতুন উইকেট তৈরি করা হবে। এই কাজটি দেশের বিভিন্ন মাঠে সমন্বিতভাবে চালু হবে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপ জুনের মধ্যে সমাপ্তির লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম, সিলেটের পাশাপাশি খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, বরিশাল, কক্সবাজার, বিকেএসপি ও পূর্বাচলসহ বহু স্থান চিহ্নিত হয়েছে। প্রতিটি স্থানে কেন্দ্রীয় ও অনুশীলন উইকেটের পাশাপাশি ফাঁকা জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে নতুন উইকেট স্থাপন করা হবে।

উইকেট নির্মাণের কাজ স্থানীয় কিউরেটরদের মাধ্যমে, গ্রাউন্ডস কমিটির তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে। খালেদ মাসুদ জানান, প্রথম ধাপের ১৩৭টি উইকেটের কাজ জুনের শেষের দিকে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে, এরপর দ্বিতীয় ধাপের সূচনা হবে।

প্রকল্পের সম্ভাব্য বাজেট সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রদান করা হয়নি। বাজেট সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, খালেদ মাসুদ কেবল সময়সূচি ও কাজের পরিধি সম্পর্কেই আলোকপাত করেন।

প্রেজেন্টেশনের পর প্রশ্নোত্তর পর্ব দীর্ঘ সময় ধরে চললেও, শেষের দিকে মিডিয়া প্রবেশের বিধিনিষেধ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ে। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে নির্দিষ্ট ফটক দিয়ে সংবাদকর্মীদের প্রবেশাধিকার ছিল বছরজুড়ে, তবে গত শনিবার নিরাপত্তা উদ্বেগের ভিত্তিতে হঠাৎ করে নতুন সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।

বিসিবি কর্তৃক আরোপিত বিধিনিষেধের মধ্যে ম্যাচের দিন, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন, বিসিবি আমন্ত্রণমূলক অনুষ্ঠান এবং নির্দিষ্ট অনুশীলন সেশন ছাড়া মাঠে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা অন্তর্ভুক্ত। এই সিদ্ধান্তের ফলে মিডিয়ার কাজের পরিবেশে বড় পরিবর্তন আসে।

দুইটি ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা এই বিধিনিষেধের বিরোধে প্রতিবাদপত্র বিসিবিতে পাঠায়। তবে বিসিবি পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি, এবং দায়িত্বশীল কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া গেলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়।

সেই দিনটি ছিল বিধিনিষেধ আরোপের পর প্রথমবারের মতো বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন। খালেদ মাসুদ ছাড়াও সম্মেলনে আরেকজন পরিচালক, হাই পারফরম্যান্স কমিটির প্রধান আব্দুর রাজ্জাক এবং গ্রাউন্ডস কমিটির ম্যানেজার আব্দুল বাতেন উপস্থিত ছিলেন।

বিবিধ কর্মকর্তার উপস্থিতি সত্ত্বেও, মিডিয়া প্রবেশের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তীব্রভাবে তোলা হয়। সাংবাদিকরা বিশেষ করে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের নির্দিষ্ট ফটক দিয়ে প্রবেশের ঐতিহ্যগত অধিকার হারানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

প্রশ্নের মুখে খালেদ মাসুদ সংক্ষেপে জানান, তিনি মূলত তার প্রেজেন্টেশন নিয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং মিডিয়া প্রবেশের বিষয়টি আলাদা আলোচনার বিষয়। তিনি অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে, পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ও সময়সীমা নিয়ে দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত করেন।

সারসংক্ষেপে, বিসিবি মাঠ উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা ও ১৩৭টি নতুন উইকেট নির্মাণের লক্ষ্য স্পষ্ট হলেও, মিডিয়া প্রবেশের হঠাৎ বিধিনিষেধের ফলে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তীব্র মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে এই বিষয়টি কীভাবে সমাধান হবে তা এখনো অনিশ্চিত।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments