20 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের বিক্রয় ও স্টেডিয়াম সমস্যায় ক্লাবের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের বিক্রয় ও স্টেডিয়াম সমস্যায় ক্লাবের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের মালিকানা বিক্রয় এবং আর্থিক সমস্যার কারণে ক্লাবের অস্তিত্ব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্লাবের সিইও অ্যাক্সেল শুস্টার গত সপ্তাহে একটি সংবাদ সম্মেলনে এই পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে দলটি বর্তমানে বিক্রয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং আর্থিক অবস্থা খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্টেডিয়াম ভাড়া ও আয় ভাগের সমস্যাও ক্লাবের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

২০২৫ সালে হোয়াইটক্যাপসের পারফরম্যান্স বেশ উজ্জ্বল ছিল। তারা কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের প্রথম রাউন্ডে ইন্টার মিয়ামিকে পরাজিত করে বড় সাফল্য অর্জন করে। তবে একই বছর এমএলএস কাপের ফাইনালে ইন্টার মিয়ামির হাতে পরাজিত হয়, যেখানে ইন্টার মিয়ামি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে crowned হয়। দলের মধ্যে থমাস মুলার নামের একটি বিশ্বমানের তারকা খেলোয়াড়ও ছিলেন, যাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক স্বীকৃতি রয়েছে।

দলটি শীঘ্রই ঘরে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে স্টেডিয়াম সমস্যার কারণে উদ্বেগের স্রোত থেমে নেই। হোয়াইটক্যাপসের বর্তমান বাড়ি, বি.সি. প্লেস, একটি বহুমুখী স্টেডিয়াম যা ২০১৫ সালের নারী বিশ্বকাপের ফাইনালসহ বহু আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ব্যবহৃত হয়েছে। এই গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত পুরুষ বিশ্বকাপের দুইটি কানাডা ম্যাচও এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

শুস্টার উল্লেখ করেন যে হোয়াইটক্যাপসের ম্যাচের দিনগুলোতে তারা মোট আয়ের মাত্র ১২% পর্যন্ত পায়, যা লিগের অন্য কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে কম। এই শেয়ারিং মডেল ক্লাবের আর্থিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে এবং বিক্রয় প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, লিগের সব দলই তাদের আয় ভাগে হোয়াইটক্যাপসের চেয়ে বেশি পায়।

বি.সি. প্লেসের মালিক পাভকো, যা প্রদেশের মালিকানাধীন, সঙ্গে ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে লিজ চুক্তি বজায় রয়েছে। এই সময়ে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হওয়ায় হোয়াইটক্যাপসের আয় সীমিত হয়েছে। শুস্টার জানান, পাভকোর সঙ্গে নতুন শর্ত নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। স্টেডিয়ামের অন্যান্য টেন্যান্টদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার কারণে হোয়াইটক্যাপসের অবস্থান আরও দুর্বল হয়েছে।

শহর ও ক্লাবের মধ্যে এক বছরের মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে বিকল্প স্টেডিয়াম অনুসন্ধানের কথা বলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তবসম্মত বিকল্প সামনে আসে নি। শুস্টার উল্লেখ করেন, বিকল্প স্টেডিয়াম খুঁজে পাওয়া কঠিন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতা বাড়ছে।

এই ধরনের আর্থিক ও লিজ সমস্যার সম্মুখীন হওয়া এমএলএস দলটি গত দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো লিগের দৃষ্টিতে অনন্য পরিস্থিতিতে রয়েছে। লিগের অন্যান্য ক্লাবের তুলনায় হোয়াইটক্যাপসের আয় ভাগের পার্থক্য এবং বিক্রয় প্রক্রিয়ার অগ্রগতি লিগের ইতিহাসে অস্বাভাবিক বলে বিবেচিত হচ্ছে।

শুস্টার আরও জানান, ক্লাবের আয় কমে যাওয়ায় এবং নতুন স্টেডিয়াম না পাওয়ায় বিক্রয় প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে হোয়াইটক্যাপসের আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ছাড়া বিক্রয় সম্পন্ন করা কঠিন হবে। বর্তমানে ক্লাবের মালিকানা বিক্রয়ের জন্য সম্ভাব্য ক্রেতা খোঁজা হচ্ছে, তবে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।

ক্লাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্ত ও স্থানীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যদিও দলটি মাঠে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তবে আর্থিক ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান না হলে ক্লাবের অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

সারসংক্ষেপে, ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের বিক্রয় প্রক্রিয়া, আয় ভাগের সমস্যার অবনতি এবং স্টেডিয়াম লিজের অগ্রগতি না হওয়া দলকে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে। শুস্টার এবং ক্লাবের ব্যবস্থাপনা এখন বিকল্প স্টেডিয়াম অনুসন্ধান এবং বিক্রয় চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য তীব্রভাবে কাজ করছে, তবে সময়সীমা সংকুচিত হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফল এখনও অনিশ্চিত।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments