20 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeপ্রযুক্তিস্পেন ও গ্রিস কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধের পথে

স্পেন ও গ্রিস কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধের পথে

স্পেন এবং গ্রিস কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সীমিত করার পরিকল্পনা চালু করেছে, যা ইউরোপে শিশু-ডিজিটাল নীতি কঠোর করার ধারাকে ত্বরান্বিত করছে। ফ্রান্সের পর এই দুই দেশও একই ধরণের বিধান প্রণয়নের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

স্পেনীয় সরকার মঙ্গলবারই ১৬ বছরের নিচে সকল কিশোরের জন্য সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রবেশ নিষিদ্ধের প্রস্তাব পেশ করেছে। একটি জরিপে দেখা গেছে, স্পেনের ৮২ শতাংশ নাগরিক এই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত প্রকাশ করেছে, যা সরকারের সিদ্ধান্তকে জনমতের সমর্থন দিয়ে সুনিশ্চিত করেছে।

গ্রিসে একই রকম পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে; সরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার মতে, ১৫ বছরের নিচে থাকা শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বন্ধের ঘোষণা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। যদিও নির্দিষ্ট তারিখ এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে এই নীতির বাস্তবায়নকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসেও গত মাসে ১৬ বছরের নিচে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের পক্ষে ভোট দিয়েছে, যা ইউরোপীয় স্তরে এই ধরনের বিধানের বিস্তারের ইঙ্গিত দেয়।

অস্ট্রেলিয়া গত বছর ডিসেম্বরের দিকে বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের নিচে কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে, এবং এর পর থেকে বিভিন্ন দেশ একই রকম নীতি গ্রহণের পথে এগিয়ে চলেছে।

ইউরোপের একের পর এক দেশ এখন শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অতিরিক্ত সময় ব্যয় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়ে কঠোর নিয়ম প্রণয়ন করছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এই উদ্বেগকে ভিত্তি করে নীতি তৈরি করছে।

স্পেনীয় সরকার এই পদক্ষেপের পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মগুলোকে হেট স্পিচের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ করার আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের মতে, এই আইনটি অনলাইন ঘৃণামূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করবে।

গ্রিসে ডিজিটাল গভার্নেন্স মন্ত্রণালয় শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধের ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে জানানো হয়েছে, তবে নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো প্রকাশিত হয়নি।

স্পেনীয় সরকারের প্রস্তাবিত আইন এবং গ্রিসের পরিকল্পনা উভয়ই জনমতের সমর্থন পেয়েছে; স্পেনের জরিপে ৮২ শতাংশের বেশি সমর্থন পাওয়া যায়, যা নীতির গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলেছে।

এই ধরনের বিধানগুলো কিশোরদের স্ক্রিন টাইম কমিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পারে, তবে একই সঙ্গে ডিজিটাল অধিকার ও তথ্যের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, যদি এই আইনগুলো কার্যকর হয়, তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশও অনুরূপ পদক্ষেপ নিতে পারে, যা ভবিষ্যতে ডিজিটাল নীতি গঠনে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।

সামগ্রিকভাবে, স্পেন এবং গ্রিসের এই উদ্যোগ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল রেগুলেশনকে পুনর্গঠন করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং এটি কিশোর-কিশোরীদের অনলাইন নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
AI-powered প্রযুক্তি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments