ইংল্যান্ডের স্পিনারদের পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কা তৃতীয় টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১২ রান পার্থক্যে পরাজিত হয়ে সিরিজটি ৩-০ স্কোরে শেষ করেছে। ম্যাচটি প্যালেকেলে অনুষ্ঠিত হয় এবং শ্রীলঙ্কা ১১৬ রান দিয়ে আটকে যায়।
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং শুরুতে লুক উডের প্রথম ওভারে কামিল মিশারাকে ডাক দিয়ে আউট করে তৎক্ষণাৎ প্রাথমিক সুবিধা নেয়। জেমি ওভারটনের চতুর্থ ওভারে শ্রীলঙ্কা ১৪ রান সংগ্রহ করে রিফ্লেকশন তৈরি করে, তবে তৎপরতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়।
পাথুম নিসান্কা এবং কুসাল মেন্ডিসের সংযোগের পর লিয়াম ডসনের পঞ্চম ওভারে নিসান্কা শটের শেষ মুহূর্তে কভার দিকে টো-এন্ড করে আউট হয়, যা শ্রীলঙ্কার রিটার্নে প্রথম বড় ধাক্কা দেয়।
শক্তিশালী পাওয়ারপ্লে শেষে মেন্ডিস এবং পাভান রথনায়কে একত্রে নয় রান যোগ করে ৯-রান ওভার শেষ করে, তবে মাঝের ওভারগুলোতে আদিল রাশিদ ও জ্যাকব বেটহেল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংকে সীমাবদ্ধ রাখে।
রাশিদের গুগলি রথনায়কের স্টাম্পসকে নাড়া দিয়ে তাকে আউট করে, ফলে শ্রীলঙ্কার মধ্যে নাটকীয় পতন শুরু হয়। হ্যারি ব্রুকের ঘূর্ণায়মান পিচে উইল জ্যাক্সের প্রথম বলেই মেন্ডিসের স্যুইপ শট টপ-এড হয় এবং তিনি আউট হন।
শ্রীলঙ্কা ১৩ ওভারে ৯০/৪ স্কোরে পৌঁছায় এবং এখনও জয় অর্জনের সম্ভাবনা রাখে। তবে জ্যাক্সের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কামিন্দু মেন্ডিসকে লেগ-বিফোর-ওয়াইকেট করে, পরের ওভারে জানিথ লিয়ানাজের স্লগ স্যুইপ ডিপ স্কোয়ার লেগে যায়, ফলে স্কোর ৯৭/৬ হয়।
দুনিথ ওয়েলালাজ এবং দাসুন শানাকা পরবর্তী ওভারে টানা রান যোগিয়ে টিমকে ১০০ রানের চিহ্ন অতিক্রম করতে সাহায্য করে, তবে জ্যাক্সের ত্রিপাক্ষিক ওভার বেটহেলকে সুযোগ দেয়। প্রথমে জোস বাটলার একটি নিম্ন ক্যাচে ওয়েলালাজকে আউট করেন, এরপর দুশমন্তা চাম্মেরার ক্যাচে ব্রুকের কাছে ভুল শটের ফলে আউট হন।
বেটহেলের ত্রিপাক্ষিক ওভারে শ্রীলঙ্কা দ্রুত ১১৬ রানে আটকে যায়, ফলে ইংল্যান্ড ১২ রান পার্থক্যে ম্যাচ জিতে সিরিজে সম্পূর্ণ জয় নিশ্চিত করে। এই জয় শ্রীলঙ্কার শেষ সিরিজকে কঠিন করে তুলেছে এবং উভয় দলই শীঘ্রই আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করবে।



