20 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইনসানিয়াত বিপ্লবের তরুণী প্রার্থী ফাতেমা আক্তার মুনিয়া, ঢাকা‑১৩-এ নির্বাচনী লড়াই শুরু

ইনসানিয়াত বিপ্লবের তরুণী প্রার্থী ফাতেমা আক্তার মুনিয়া, ঢাকা‑১৩-এ নির্বাচনী লড়াই শুরু

ঢাকার সর্বাধিক জনবহুল আসন ঢাকা‑১৩-এ ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের তরুণী প্রার্থী ফাতেমা আক্তার মুনিয়া নির্বাচনী প্রচারণা চালু করেছেন। ২৫ বছর পূর্ণ বয়সে, তিনি মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শের‑এ‑বাংলা নগর থানা এলাকার অংশবিশেষ অন্তর্ভুক্ত এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

মুনিয়া ৯ অক্টোবর ২০০০-এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শাহজাহান আহমেদ, মাতার নাম গুলশানারা বেগম। সাধারণ পরিবারের সন্তান হলেও তিনি শৈশব থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১৭ সাল থেকে সুন্নী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, পরবর্তীতে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।

বর্তমানে তিনি মোহাম্মদপুরের আলহাজ্ব মকবুল হোসেন কলেজের ইংরেজি বিভাগে চতুর্থ বর্ষের স্নাতক শিক্ষার্থী। শিক্ষার পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক কর্মে সক্রিয়, এবং নিজের কথায় বলেন যে দেশের পরিবর্তনের জন্য তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন পেশার মানুষকে রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হতে হবে।

ধারাবাহিকভাবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে দেশের ভবিষ্যৎ তার মতোই ছাত্রদের হাতে। জুলাই ১৯৭১ের গণঅভ্যুত্থানের সময় তরুণরা ফ্যাসিবাদের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, এ কথা স্মরণ করে তিনি নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্যকে দেশের সেবা হিসেবে উপস্থাপন করেন।

ঢাকা‑১৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,০৮,৭৯১, যেখানে সাতটি রাজনৈতিক দল ও দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই তালিকায় মুনিয়া একমাত্র নারী প্রার্থী, যা তার প্রচারণার সময় বিশেষ দৃষ্টিকোণ এনে দেয়।

প্রচারাভিযান ২২শে মার্চ থেকে শুরু হওয়ায় তিনি সরাসরি দরজায় দরজা গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি বলেন, নতুন দল ‘ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ’ সম্পর্কে মানুষ জিজ্ঞাসা করলে তিনি দলটির নীতি ও লক্ষ্য ব্যাখ্যা করেন, যাতে ভোটারদের মধ্যে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

মুনিয়ার ক্যাম্পেইনের মূল বার্তা হল ‘যদি দেশ বদলাতে হয়, তবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে’। তিনি নিজে তরুণদের উদ্যমকে ভোটের শক্তিতে রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন এবং এ জন্য তিনি নিজের উপস্থিতি ও সরাসরি যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, এই আসনে বহু প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর উপস্থিতি মুনিয়ার জন্য কঠিন প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। তবে তার তরুণ বয়স ও শিক্ষার্থী পরিচয় তাকে নতুন ভোটার গোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করতে পারে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, যদি মুনিয়া ভোটারদের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ বজায় রাখতে পারেন এবং তার দলের নীতি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, তবে তিনি আসনের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারেন। তবে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম, যা তাকে কিছু ভোটারকে জয় করতে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আসনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকে, মুনিয়ার অংশগ্রহণ তরুণ প্রার্থীদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। তার সফলতা বা ব্যর্থতা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তরুণ কর্মীদের রাজনৈতিক মঞ্চে প্রবেশের জন্য একটি মডেল সরবরাহ করবে।

এই নির্বাচনী লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপ হবে ১৪ই নভেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল, যেখানে ঢাকা‑১৩-এ ভোটের প্রবাহ কীভাবে গড়ে উঠবে তা দেশের রাজনৈতিক গতিপথে প্রভাব ফেলবে। মুনিয়া এবং তার দল এই ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করবে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দিকনির্দেশনা আনতে পারে।

সারসংক্ষেপে, ফাতেমা আক্তার মুনিয়া, ২৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের তরুণী প্রার্থী হিসেবে ঢাকা‑১৩-এ নির্বাচনী প্রচারণা চালু করেছেন। তার লক্ষ্য তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং দেশের পরিবর্তনের জন্য নতুন শক্তি যোগ করা। আসনের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করতে পারে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments