20 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধহ্যামবার্গ বন্দর থেকে জার্মান নৌবাহিনীর জাহাজে স্যাবটেজের চেষ্টা করা দুই সন্দেহভাজন গ্রেফতার

হ্যামবার্গ বন্দর থেকে জার্মান নৌবাহিনীর জাহাজে স্যাবটেজের চেষ্টা করা দুই সন্দেহভাজন গ্রেফতার

হ্যামবার্গ বন্দর থেকে জার্মান নৌবাহিনীর জাহাজে স্যাবটেজের চেষ্টা করা দুই সন্দেহভাজনকে মঙ্গলবার জার্মানি ও গ্রীসে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইউরোজাস্টের সমন্বয়ে জার্মানি, গ্রীস এবং রোমানিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা একসাথে কাজ করে এই পদক্ষেপটি সম্পন্ন করেছে।

সন্দেহভাজনরা ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা সুইচ নিষ্ক্রিয় করা, জাহাজের জ্বালানি ট্যাঙ্কের ঢাকনা খুলে ফেলা, পানির সরবরাহ লাইন ছিদ্র করা এবং ইঞ্জিনে ২০ কিলোগ্রাম (প্রায় ৪৪ পাউন্ড) ঘর্ষণকারী বালি ঢেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এই কাজগুলো যদি ধরা না পড়ত, তবে জাহাজের কার্যক্রমে বড় ধরনের ক্ষতি এবং প্রস্থান বিলম্ব ঘটতে পারত, যা জার্মান নৌবাহিনীর মিশনকে বিপন্ন করত।

ইউরোজাস্টের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ধরনের কাজগুলো সনাক্ত না হলে জাহাজের কাঠামোগত ক্ষতি এবং সময়সীমা অতিক্রমের ঝুঁকি ছিল। তাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।

সন্দেহভাজনদের মধ্যে ৩৭ বছর বয়সী রোমানিয়া নাগরিক এবং ৫৪ বছর বয়সী গ্রীস নাগরিক অন্তর্ভুক্ত, যাদের উভয়ই হ্যামবার্গ বন্দর থেকে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্থানীয় মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, তারা বন্দর কর্মী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

গ্রেফতারটি একাধিক দেশের সমন্বিত অপারেশনের ফল, যেখানে জার্মান, গ্রীক এবং রোমানিয়ান পুলিশ একসাথে কাজ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, সন্দেহভাজনদের বাড়ি ও কর্মস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য অনুসন্ধান চালানো হয়েছে।

ইউরোজাস্ট জানিয়েছে, জার্মানি, গ্রীস এবং রোমানিয়ার বাড়িতে অনুসন্ধান করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণ জব্দ করা হয়েছে। এই প্রমাণগুলো তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঘটনাটির পূর্ণ পরিপ্রেক্ষিত জানার জন্য তদন্ত এখনো চলমান। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সকল প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করে মামলাটি আদালতে উপস্থাপন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জার্মান কর্তৃপক্ষ হ্যামবার্গের এই ঘটনার সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংযোগ প্রকাশ করেনি, তবে ক্রেমলিন সমর্থিত স্যাবটেজের আশঙ্কা বাড়ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের সন্দেহে সাইবার ও শারীরিক আক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাশিয়া-উক্রেন যুদ্ধের পর থেকে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোতে স্যাবটেজের অভিযোগ বাড়ছে। বাল্টিক সাগরের সমুদ্র তলায় যোগাযোগ কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এবং ড্রোনের সন্দেহজনক ব্যবহার বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটিয়েছে।

কিছু ইউরোপীয় সরকার রাশিয়াকে সরাসরি দায়ী করেছে, তবে মস্কো ধারাবাহিকভাবে এসব আক্রমণের দায় স্বীকার করে না। এই বিরোধপূর্ণ অবস্থান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলছে।

জার্মানি পূর্বে বামপন্থী কর্মীদের সঙ্গে যুক্ত একটি অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে স্যাবটেজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই অগ্নিকাণ্ডে হাজার হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছিলেন, যা দেশের নিরাপত্তা নীতিতে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করেছে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments