20 C
Dhaka
Wednesday, February 4, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারজন বিশিষ্ট পণ্ডিতকে এমেরিটাস প্রফেসর পদে নিয়োগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারজন বিশিষ্ট পণ্ডিতকে এমেরিটাস প্রফেসর পদে নিয়োগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সম্প্রতি চারজন বিশিষ্ট পণ্ডিতকে এমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।

নিয়োগপ্রাপ্ত পণ্ডিতদের মধ্যে রয়েছে প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর অন্বরুল্লাহ চৌধুরী এবং প্রফেসর এ.এফ.এম. ইউসুফ হায়দার, পাশাপাশি বিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির প্রাক্তন ডিন প্রফেসর তাজমেরি এস.এ. ইসলাম এবং ফার্মেসি ফ্যাকাল্টির প্রাক্তন ডিন প্রফেসর চৌধুরী মাহমুদ হাসান।

এই তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক রিলেশনস অফিসের কার্যনির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম পন্না আজ প্রকাশ্যভাবে নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সিদ্ধান্তটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের অনুমোদন পেয়ে কার্যকর হয়েছে।

সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ। একাডেমিক কাউন্সিলের মতামত অনুসরণ করে সিন্ডিকেট এমেরিটাস প্রফেসর পদে নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করে।

নিয়োগপ্রাপ্ত চারজন পণ্ডিতকে তাদের নিজ নিজ বিভাগে এমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে সংযুক্ত করা হবে। তারা এখনো তাদের পূর্ববর্তী বিভাগে কাজ চালিয়ে যাবে এবং শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকবে।

এমেরিটাস প্রফেসর হিসেবে তাদের প্রধান দায়িত্ব হল শিক্ষাবিষয়ক পরামর্শ প্রদান এবং গবেষণা, উদ্ভাবনী কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা দেওয়া। তারা তাদের বিশেষজ্ঞ ক্ষেত্রের জ্ঞান ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নীতি গঠনে অংশ নেবে।

প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে যে, এমেরিটাস প্রফেসরদের পূর্বে প্রফেসর হিসেবে যে সুবিধা ছিল, তা তারা অব্যাহতভাবে পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে লাইব্রেরি ব্যবহার, গবেষণা সামগ্রী সংগ্রহ, সেক্রেটারিয়াল সহায়তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা সুবিধা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়িক বাসস্থান তাদের জন্য আরোপিত হবে না।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন বিশিষ্ট পণ্ডিতদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করতে চায়। তাদের অবদান শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রকল্প, থিসিস কাজ এবং পেশাগত দিকনির্দেশনায় সরাসরি প্রতিফলিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রফেসর অন্বরুল্লাহ চৌধুরীর দীর্ঘমেয়াদী প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, প্রফেসর এ.এফ.এম. ইউসুফ হায়দারের শিক্ষাব্যবস্থার গভীর জ্ঞান, প্রফেসর তাজমেরি এস.এ. ইসলামের বিজ্ঞান গবেষণায় অবদান এবং প্রফেসর চৌধুরী মাহমুদ হাসানের ফার্মেসি শিক্ষা ক্ষেত্রে অর্জন এই নতুন ভূমিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেন যে, এমেরিটাস প্রফেসরদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক ও সেমিনার আয়োজন করা হবে, যাতে তারা শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন। এই ধরনের মিথস্ক্রিয়া শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে সহায়ক হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যবহারিক সুবিধা হল লাইব্রেরি ও গবেষণা সুবিধার সহজ প্রবেশাধিকার। এমেরিটাস প্রফেসরদের নির্দেশনা অনুসরণ করে তারা গবেষণা পদ্ধতি, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রকাশনা প্রক্রিয়া সম্পর্কে মূল্যবান পরামর্শ পেতে পারে।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়িক চিকিৎসা সেবা এবং সেক্রেটারিয়াল সহায়তা তাদের গবেষণা কাজকে দ্রুততর করে তুলবে। ফলে শিক্ষার্থীরা সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পেয়ে তাদের একাডেমিক লক্ষ্য অর্জনে ত্বরান্বিত হবে।

এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশে নতুন উদ্যমের সঞ্চার হবে বলে আশা করা যায়। প্রাক্তন নেতাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে।

আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন এমেরিটাস প্রফেসরদের এই নতুন ভূমিকা শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও ক্যারিয়ার গঠনে কতটা সহায়ক হবে? আপনার মন্তব্য শেয়ার করুন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments