সানরাইজারস হায়দ্রাবাদ দলের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স আইপিএল ২০২৬ সিজনের জন্য শারীরিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আশায় আছেন। তবে তার অংশগ্রহণের মাত্রা পিঠের ব্যথার উন্নতির ওপর নির্ভর করবে, তিনি সম্প্রতি জানিয়েছেন।
কামিন্সের পিঠের সমস্যার কথা ইতিমধ্যে কয়েক মাসেরও বেশি সময় ধরে শোনা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাকের অস্বস্তি তার গেমে প্রভাব ফেলেছে এবং তিনি নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণে ব্যস্ত ছিলেন।
আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরেকটি মেডিকেল স্ক্যান করা হবে, যার ফলাফলের ভিত্তিতে তার পুনরুদ্ধারের গতি নির্ধারিত হবে। স্ক্যানের ফলাফল ভালো হলে, তিনি ধীরে ধীরে শারীরিক কার্যক্রমে ফিরে আসবেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
কামিন্সের মতে, পিঠের অবস্থা যদি অনুমোদনযোগ্য হয়, তবে তিনি ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণ বাড়িয়ে নেবেন। “আমার পিঠই সিদ্ধান্ত নেবে” এই কথায় তিনি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করেছেন।
টিএ২০ ফরম্যাটের তুলনায় দীর্ঘ ফরম্যাটের ম্যাচে পিঠের উপর বেশি চাপ পড়ে। তাই তিনি টিএ২০ গেমগুলোকে পিঠের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজ হিসেবে বিবেচনা করছেন এবং এই ফরম্যাটে ফিরে আসতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কামিন্সের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শুধু দলের ক্যাপ্টেনই নন, দ্রুত গতি সম্পন্ন বোলার হিসেবেও দলের আক্রমণকে সমর্থন করেন। তার ফিটনেসের ওপর নির্ভর করে হায়দ্রাবাদের ব্যাটিং ও বোলিং পরিকল্পনা গঠন করা হবে।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের নতুন সিজন ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে। সানরাইজারস হায়দ্রাবাদ প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, তাই ক্যাপ্টেনের শারীরিক অবস্থা দলকে মানসিকভাবে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে।
ক্যাপ্টেনের পিঠের অবস্থা এখনও অনিশ্চিত, তাই দলীয় স্টাফ এবং চিকিৎসা দল একসাথে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে। কোনো অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন হলে তা তৎক্ষণাত দলীয় কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কামিন্সের পূর্ববর্তী আইপিএল পারফরম্যান্সে তিনি ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট এবং অর্থবহ ওভার ডেলিভারির মাধ্যমে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। তবে বর্তমান সময়ে তার ফিটনেসই প্রধান উদ্বেগের বিষয়।
হায়দ্রাবাদ কোচিং স্টাফ ইতিমধ্যে বিকল্প বোলারদের প্রস্তুত রেখেছেন, যাতে ক্যাপ্টেনের অনুপস্থিতি বা সীমিত অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দলীয় ব্যালেন্স বজায় থাকে। এই প্রস্তুতি দলকে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
সিজনের প্রথম কয়েক ম্যাচে হায়দ্রাবাদের শিডিউল কঠিন, তবে কামিন্সের ফিরে আসা দলকে আক্রমণাত্মক দিক থেকে শক্তিশালী করবে। তার উপস্থিতি না থাকলেও দলীয় অন্যান্য খেলোয়াড়রা দায়িত্ব ভাগ করে নেবে, তবে ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বের অভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হবে।
ফ্যানরা কামিন্সের দ্রুত সুস্থতা এবং আইপিএল-এ ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন। তার পিঠের স্বাস্থ্যের উন্নতি হলে, হায়দ্রাবাদ তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে নতুন সিজনে উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের সম্ভাবনা বাড়াবে।



