মায়াঙ্ক ইয়াদাভ ৯ মাসের বিরতির পর ভারত ক্রিকেট দল ‘এ’ দলের হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে ফিরে এলেন। ২৩ বছর বয়সী দ্রুতগামী ফাস্ট বোলার নাভি মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে মাত্র তিন ওভারে ৩৭ রান দিলেন এবং কোনো উইকেট নিতে পারেননি।
মায়াঙ্কের শেষ আইপিএল ম্যাচটি ছিল ৪ মে, যখন তিনি লাক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলেছিলেন। সেই ম্যাচের পর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে শীর্ষ গতি বজায় রেখেছেন, নিয়মিত ১৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা অতিক্রম করে এবং একবার ১৫৬.৭ কিমি/ঘণ্টা গতি রেকর্ড করেছেন।
২০২৪ আইপিএল মৌসুমে তিনি চারটি ম্যাচে সাতটি উইকেট সংগ্রহের পর চোটে ভুগে মাঠ থেকে দূরে সরে যান। ছয় মাস পর তিনি ভারত ক্রিকেট দল ‘এ’ এর সঙ্গে বাংলাদেশে টি-টোয়েন্টি সিরিজে আন্তর্জাতিক ডেব্যু করেন, যেখানে তিনি তিনটি ম্যাচে চারটি উইকেট নেন।
সেই সিরিজের পর আবার চোটের কারণে তিনি আবারও মাঠ থেকে অনুপস্থিত থাকেন। মাঝমাঝি আইপিএল মৌসুমে ফিরে এসে দুইটি ম্যাচে দুটো উইকেট নেন, তবে আবারও চোটের শিকার হয়ে আবার বিরতি নিতে বাধ্য হন। দীর্ঘ পুনর্বাসনের পর তিনি এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ফিরে আসেন, যা গত ১৬ মাসে তার তৃতীয় ম্যাচ।
মায়াঙ্কের পাশাপাশি টেস্টিকুলার অস্ত্রোপচারের পর পুনরায় মাঠে আসা তিলাক ভার্মা এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ২৪ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে তিনটি চতুর্থ এবং দুইটি ছক্কা ছিল, এবং ১০৪ বলের ইনিংস খেলেন। তার এই পারফরম্যান্স তাকে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে নিশ্চিত স্থান এনে দেয়।
মায়াঙ্কের অনুপস্থিতিতে ইশান কিষানও চমৎকার পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, যা ভারত ক্রিকেট দল ‘এ’ এর জন্য একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখযোগ্য। তার আউটপুট দলকে বিভিন্ন ফরম্যাটে সমর্থন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি ম্যাচে নারায়ন জাগাদিশান ১০৪ বলে ৫৫ রান তৈরি করেন, আর অধিনায়ক আয়ুশ বাদোনি ৬০ বলে ২৬ রান যোগ করেন। ভারত ক্রিকেট দল ‘এ’ ২০ ওভারে মোট ২৩৮ রান সংগ্রহ করে লক্ষ্য অর্জন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের বিস্তারিত স্কোর উল্লেখ না থাকলেও, এই ম্যাচটি মায়াঙ্ক ও তিলাকের জন্য পুনরায় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। পরবর্তী সময়ে ভারত ক্রিকেট দল ‘এ’ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে, যেখানে উভয় খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স দলকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



