19 C
Dhaka
Tuesday, February 3, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসান্তি ক্যাজরলা ৪১ বছর বয়সে ওভিয়েডোকে গিরোনার উপর ১-০ জয় এনে দিলেন

সান্তি ক্যাজরলা ৪১ বছর বয়সে ওভিয়েডোকে গিরোনার উপর ১-০ জয় এনে দিলেন

রিয়াল ওভিয়েডো গিরোনা দলের মুখোমুখি হয়ে ১-০ স্কোরে জয়লাভ করেছে, যেখানে ৪১ বছর বয়সী সান্তি ক্যাজরলা দ্বিতীয়ার্ধে প্রবেশ করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ গোলের সুযোগ এনে দিয়েছেন। ম্যাচটি কার্লোস টার্তিয়েরে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, এবং বিজয়টি ক্লাবের দীর্ঘ সময়ের পর প্রথম জয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

গিরোনা দলের বিরুদ্ধে এই জয়টি ওভিয়েডোর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দলটি দীর্ঘ সময় ধরে জয় অর্জনে সংগ্রাম করছিল। ম্যাচের শেষার্ধে ক্যাজরলা মাঠে নামার পর তার উপস্থিতি ভক্তদের মধ্যে উল্লাসের স্রোত তৈরি করে, এবং শেষ মুহূর্তে দলের আক্রমণকে ত্বরান্বিত করে।

স্টেডিয়ামের বাইরে, ক্যাজরলার উপস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করে। জুয়ান রামন জিমেনেজ রাস্তায় অবস্থিত বার ও টেরেসগুলোতে ভক্তরা গেমের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করছিলেন, হঠাৎ ক্যাজরলা গিয়ে স্বাক্ষর, ছবি তোলা এবং হ্যান্ডশেকের জন্য সময় দিচ্ছিলেন। ছোট বাচ্চা থেকে বয়স্ক মহিলাদের পর্যন্ত সবাই তার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করছিল, যা শহরের পরিবেশকে উৎসবমুখর করে তুলেছিল।

ক্যাজরলা নিজে ফোন্সিয়েলো গ্রাম থেকে আসা, যেখানে তার পিতা একজন অ্যাম্বুলেন্স চালক ছিলেন। তিনি আট বছর বয়সে ওভিয়েডোর যুব দলকে যোগ দেন এবং ১৮ বছর বয়সে ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার পর দুই দশক পর ফিরে আসেন। তার ফিরে আসা সময়ে ক্লাবটি আর্থিক সংকটে ছিল এবং দু’বার বিলুপ্তির সীমানায় পৌঁছেছিল। তবে ক্যাজরলা ন্যূনতম বেতনে ফিরে এসে দলকে পুনরায় প্রথম বিভাগে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ক্লাবের বর্তমান কোচ গিলেরমো আলমাদা ক্যাজরলার অবদানের প্রশংসা করে বলেন, “আমি তাকে এমন এক খেলোয়াড় হিসেবে দেখি, যে তার বয়সের সীমা অতিক্রম করে মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে।” আলমাদা আরও উল্লেখ করেন যে, এই জয়টি দলকে একটি বড় চ্যালেঞ্জের মতো অনুভব করিয়েছে, যেখানে প্রতিটি ম্যাচকে তারা একটি ফাইনাল হিসেবে বিবেচনা করে।

স্ট্রাইকার ফেডে ভিনাসও ম্যাচের পর দলের মনোভাব নিয়ে মন্তব্য করেন, “প্রশিক্ষক আমাদের বলেছিলেন, আজকের ম্যাচটি বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো, এবং আমরা তা জিতেছি।” তার এই বক্তব্য দলীয় আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং ভক্তদের মধ্যে গর্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

ক্যাজরলার ম্যাচে প্রবেশের পর তার সৃষ্টিশীল পাস এবং মাঠের দৃষ্টিভঙ্গি ওভিয়েডোর আক্রমণকে নতুন দিক দেয়। যদিও তিনি সরাসরি গোল করেননি, তার উপস্থিতি এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে দলটি শেষ পর্যন্ত গিরোনার গোলরক্ষককে চ্যালেঞ্জ করে একমাত্র গোলের সুযোগ তৈরি করে।

এই জয়টি ওভিয়েডোর জন্য দীর্ঘ সময়ের পর প্রথম জয় হিসেবে রেকর্ড হয়, এবং ক্লাবের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে সংরক্ষিত হবে। ভক্তরা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে গিয়ে গানের সুরে বিজয়ের আনন্দ ভাগ করে নেয়।

পরবর্তী ম্যাচে ওভিয়েডো লিগের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হবে, যেখানে দলটি এই জয়কে ভিত্তি করে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরিকল্পনা করেছে। কোচ আলমাদা দলকে বলছেন, “আমরা এখনো অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তবে এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।” ভক্তদের প্রত্যাশা উচ্চ, এবং ক্যাজরলার মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের উপস্থিতি দলকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, সান্তি ক্যাজরলার ৪১ বছর বয়সে ওভিয়েডোর জন্য গিরোনার বিরুদ্ধে ১-০ জয় এনে দিয়েছেন, যা ক্লাবের দীর্ঘ সময়ের পর প্রথম জয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তার উপস্থিতি ভক্তদের মধ্যে উল্লাসের স্রোত তৈরি করেছে, এবং কোচ ও খেলোয়াড়দের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে দলটি এই জয়কে একটি বড় চ্যালেঞ্জের সমাপ্তি হিসেবে দেখছে। ভবিষ্যতে ওভিয়েডো এই জয়কে ভিত্তি করে লিগে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে অগ্রসর হবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments