26 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স ও কয়েকজন নেতার অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা

জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স ও কয়েকজন নেতার অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা

২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার ফেসবুক পেজে জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলের একটি পোস্ট শেয়ার করেন। ঐ পোস্টে কর্মজীবী নারীদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা দ্রুত অনলাইন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। শেয়ারটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা উস্কে দেয়।

শাওন তার সক্রিয় ডিজিটাল উপস্থিতির জন্য পরিচিত, তিনি প্রায়শই রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আরও তীব্রভাবে বিরোধী সুরে মন্তব্য করে থাকেন, যা তার অনুসারীদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই পোস্ট শেয়ার করা তার রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

শেয়ার করা পোস্টে কর্মজীবী নারীদের ‘অপ্রয়োজনীয়’ ও ‘সমাজের ক্ষতি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল, যা লিঙ্গ সমতা সংস্থাগুলো কঠোরভাবে নিন্দা করেছে। নারী অধিকার কর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ধরনের ভাষা misogynistic (মিসোজিনিস্ট) বলে চিহ্নিত করে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানায়। অনলাইন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়।

একই দিনে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায় যে ড. শফিকুর রহমানের এক্স হ্যান্ডেল এবং দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতার সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা ঘটেছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে হ্যাকিংয়ের ফলে অননুমোদিত পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে, যা কোনোভাবে দলের নীতি বা মতামতকে প্রতিফলিত করে না। দল এই ঘটনার পর দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানায়।

দলের যোগাযোগ বিভাগ উল্লেখ করে, হ্যাক করা অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রকাশিত বার্তাগুলো প্রকৃত মালিকের দ্বারা নয়, বরং অজানা হ্যাকারদের দ্বারা তৈরি। তারা জনসাধারণকে অনুরোধ করে যে, হ্যাকের পর প্রকাশিত যেকোনো কন্টেন্টকে অবৈধ ও অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচনা করতে। এছাড়া, দল সতর্ক করে যে এই ধরনের সাইবার আক্রমণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কৌশল হতে পারে।

হ্যাকের ফলে ড. শফিকুর রহমানের পাশাপাশি তিনজন উচ্চপদস্থ নেতার এক্স অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে লক করা হয় এবং নিরাপত্তা পর্যালোচনার জন্য বন্ধ রাখা হয়। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে কোনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। দল এই বিষয়টি আইনি পথে সমাধান করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময়ে বিশেষভাবে সাইবার আক্রমণের শিকার হয়ে থাকে। তারা তৎক্ষণাৎ পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, দুই-ধাপ প্রমাণীকরণ এবং নিয়মিত লগইন পর্যবেক্ষণ চালু করার পরামর্শ দেন। এছাড়া, দলীয় ডিজিট

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments