22 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডোনাল্ড ট্রাম্প চীন‑কানাডা বাণিজ্য চুক্তি হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র প্রতিক্রিয়া সতর্কতা দেন

ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন‑কানাডা বাণিজ্য চুক্তি হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র প্রতিক্রিয়া সতর্কতা দেন

ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে জানিয়েছেন, চীন ও কানাডা যদি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীনকে কানাডার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে না দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের মধ্যে রয়েছে এবং চীন‑কানাডা চুক্তি হলে তা সেই লক্ষ্যকে ক্ষুণ্ণ করবে।

প্রেসবিটের সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পেছনে গত সপ্তাহে তিনি কানাডার ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যদি দেশটি চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি চালিয়ে যায়। শুল্কের হুমকি পূর্বে একাধিকবার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যা কানাডার বাণিজ্য নীতি ও উত্তর আমেরিকান বাজারের সংহতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন এবং চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতাকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি এয়ার ফোর্স ওয়ানের অভ্যন্তরে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, চীন যদি কানাডার ওপর প্রভাব বাড়ায়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তা গ্রহণযোগ্য নয়।

কানাডা সরকার এ পর্যন্ত চীন‑কানাডা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও এই চুক্তি উভয় দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কতা কানাডার নীতি নির্ধারকদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, কারণ শুল্কের হুমকি দেশের রপ্তানি শিল্প ও কৃষি খাতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সতর্কতা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিবেশে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে। চীনও কানাডার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যদিও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার ফলে কানাডা চীন‑কানাডা চুক্তি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে পারে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক হ্রাসের পথ খুঁজে নিতে পারে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বের হুমকি এবং বর্তমান মন্তব্যের ধারাবাহিকতা দেখায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি এখনো চীন‑কানাডা সম্পর্কের ওপর কঠোর নজর রাখবে।

কানাডা সরকার ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতা বজায় রাখতে অতিরিক্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সূত্রগুলো দ্রুত যোগাযোগ বাড়িয়ে, সম্ভাব্য শুল্কের প্রভাব কমাতে সমঝোতার পথ খোঁজার চেষ্টা করবে বলে জানানো হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা এখনও অনিশ্চিত, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্পষ্ট সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি ও চীন‑কানাডা চুক্তির সম্ভাব্য ফলাফলকে সরাসরি প্রভাবিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষেত্রে এই ধরণের দ্বিমুখী চাপ দেশগুলোর কূটনৈতিক কৌশল ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি করতে পারে।

সারসংক্ষেপে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে প্রকাশিত মন্তব্য চীন‑কানাডা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থানকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে এবং শুল্কের হুমকি পুনরায় তুলে ধরেছে। কানাডা ও চীন উভয়ই এই বিকাশের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে পারে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি অঞ্চলের বাণিজ্যিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments