18 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশর্মিলা রহমানের উপস্থিতি ধারা‑১৭ নির্বাচনী প্রচারে ভোটারদের আহ্বান

শর্মিলা রহমানের উপস্থিতি ধারা‑১৭ নির্বাচনী প্রচারে ভোটারদের আহ্বান

সায়েদা শর্মিলা রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর বিধবা, আজ ধারা‑১৭ নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তারেক রহমানের প্রচারাভিযানে অংশ নেন। শর্মিলা শাহজাদপুর ও গুলশানের ডিএনসিসি মার্কেট এলাকায় জনসমাগমের সময় পত্রিকা ও পামফ্লেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সমর্থন দাবি করেন।

প্রচারণা চলাকালে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালীর মানুষকে সমবেত করে তারেক রহমানের জন্য ভোট দিতে অনুরোধ করেন। শর্মিলা উপস্থিতি দেখে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়, বিশেষ করে কোকোর পরিবারকে ঘিরে থাকা সমর্থকরা তার উপস্থিতিকে একটি শক্তিশালী সিগন্যাল হিসেবে গ্রহণ করেন।

“আমি আমার ভাই তারেক রহমানের জন্য এসেছি। সবাই তার জন্য প্রার্থনা করুন, অনুগ্রহ করে তাকে ভোট দিন,” শর্মিলা তারেকের সমর্থনে দৃঢ় আহ্বান জানিয়ে বলেন। এই সরাসরি আহ্বান ভোটারদের মধ্যে তারেকের প্রতি সমর্থন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে করা হয়।

শর্মিলার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও কর্মীরা ছিলেন, যারা তারেকের প্রচারকে সমর্থন জানিয়ে গিয়ে জনসাধারণের সঙ্গে আলাপচারিতা চালিয়ে যান। এই দলবদ্ধ উপস্থিতি ভোটারদের কাছে একতাবদ্ধতা ও সংগঠনের চিত্র তুলে ধরতে সহায়তা করে।

শর্মিলা রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকা তারেকের সঙ্গে পারিবারিক বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে, কারণ তিনি আরাফাত রহমান কোকোর বিধবা, যিনি তারেকের ছোট ভাই ছিলেন। কোকোর মৃত্যু পর থেকে শর্মিলা পারিবারিক ও রাজনৈতিক কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন এবং এই প্রচারাভিযানে তার উপস্থিতি তারেকের সমর্থন বাড়ানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

বিএনপি ধারা‑১৭ থেকে “ধানের গুঁড়ি” প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যেখানে তারেক রহমানের প্রার্থী তালিকায় নাম রয়েছে। শর্মিলার উপস্থিতি এই প্রতীককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে পারিবারিক ঐক্য ও ঐতিহ্যের অনুভূতি জাগাতে চায়।

অপরপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য বিরোধীরা শর্মিলার এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে এবং ভোটারদেরকে স্বতন্ত্রভাবে সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানাচ্ছে। বিরোধীরা উল্লেখ করেছে যে, নির্বাচনী প্রচারাভিযানে পারিবারিক সম্পর্কের ব্যবহার ভোটারদের স্বায়ত্তশাসনকে প্রভাবিত করতে পারে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, শর্মিলার এই সরাসরি প্রচারাভিযান ধারা‑১৭-এ ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তনে সহায়তা করতে পারে, বিশেষত সেই এলাকায় যেখানে কোকোর পরিবারকে উচ্চ সম্মান দেওয়া হয়। তবে ভোটারদের প্রকৃত প্রবণতা এখনও অনিশ্চিত, কারণ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দলই তীব্র প্রচার চালাচ্ছে।

নির্বাচনের শেষ দিনগুলোতে ধারা‑১৭-এ আরও বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি প্রত্যাশিত, এবং শর্মিলার এই উদ্যোগকে একটি সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন, পামফ্লেট বিতরণ এবং স্থানীয় নেতাদের সমর্থন সংগ্রহের মাধ্যমে বিএনপি তারেকের ভোটার ভিত্তি শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

পরবর্তী সপ্তাহে ধারা‑১৭-এ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হবে এবং বিভিন্ন দলই শেষ মুহূর্তের প্রচার চালাবে। শর্মিলার উপস্থিতি এবং তারেকের প্রচারাভিযান কীভাবে ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলবে তা দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নজরে থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments