বাংলাদেশ সরকার ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের জ্বালানি বাজারে স্বয়ংক্রিয় সমন্বয় পদ্ধতি ব্যবহার করে সব ধরনের তেলের লিটারে দুই টাকা করে হ্রাস করেছে। এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক তেল মূল্যের গতিবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নেওয়া হয়েছে। ফলে ড্রাইভিং, পরিবহন ও শিল্পখাতে তেল ক্রয়ের খরচে তাত্ক্ষণিক স্বস্তি প্রত্যাশিত।
সরকারের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল এবং অকটেনের দাম প্রত্যেক লিটারে দুই টাকা কমবে। এই সমন্বয়টি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে, যা বাজারের ওঠাপড়া অনুসারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করে। ফলে মূল্য পরিবর্তনের পূর্বাভাস ও পরিকল্পনা সহজতর হবে।
আজ শনিবার রাতের দিকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন মূল্য কাঠামো প্রকাশ করেছে। প্রজ্ঞাপনে নতুন টারিফের কার্যকরী তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নথি সরকারী ও বাণিজ্যিক সেক্টরে দ্রুত প্রচারিত হয়েছে।
নতুন টারিফ অনুযায়ী ডিজেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমে একশত টাকা নির্ধারিত হয়েছে। কেরোসিনের দাম এখন একশে বারো টাকা, পেট্রলের দাম একশে ষোল টাকা এবং অকটেনের দাম একশে বিশ টাকা হবে। পূর্বের দাম থেকে প্রত্যেকটি পণ্যে দুই টাকার সমান হ্রাস লক্ষ্য করা যায়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশের বার্ষিক জ্বালানি তেলের মোট চাহিদা প্রায় সাত দশলাখ টন। এই চাহিদার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ



