19 C
Dhaka
Sunday, February 1, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রিন্স অ্যান্ড্রু ও এপস্টেইনের ইমেইল প্রকাশে নতুন তথ্য উন্মোচিত

প্রিন্স অ্যান্ড্রু ও এপস্টেইনের ইমেইল প্রকাশে নতুন তথ্য উন্মোচিত

প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের মধ্যে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিনিময় করা ইমেইলগুলো সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায়বিচার বিভাগের প্রকাশে প্রকাশিত হয়েছে। এই চিঠিপত্রে অ্যান্ড্রু নিজেকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্কের কিছু দিক উন্মোচিত হয়, যা তার পূর্বের এপস্টেইনের সঙ্গে সংযোগ কেটে দেওয়ার দাবিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

ইমেইলে অ্যান্ড্রু নিজেকে “এই সপ্তাহটি সম্পূর্ণ আমার জন্য” বলে উল্লেখ করেন এবং এপস্টেইনকে ধন্যবাদ জানান, কারণ এপস্টেইন তার প্রাক্তন স্ত্রী সারা ফারগুসনের বেতন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে সহায়তা করেছেন। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি পরবর্তী আট দিনের জন্য তার “বার্ষিক অবকাশ”ে যাচ্ছেন। এই বার্তা ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে লেখা, যা তার ২০২০ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই এমন ঘোষণার পরেও তার সম্পর্কের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায়বিচার বিভাগ ২০২০ সালের শুরুর দিকে অ্যান্ড্রুর আইনজীবীদের সঙ্গে একাধিক ইমেইল আদান-প্রদান করে, যেখানে তারা অ্যান্ড্রু কখন সাক্ষাৎকার দেবেন বা সাক্ষাৎকারের সম্ভাবনা আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করে। ফেডারেল তদন্ত দল ফেব্রুয়ারি ২০২০-এ অ্যান্ড্রুর প্রতিনিধিকে লিখে জানায় যে, তিনি এপস্টেইনের কার্যক্রমের তদন্তে সহযোগিতা করবেন কিনা এবং কখন সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করা যাবে।

সেই সময়ে কোভিড-১৯ মহামারী এবং আইনি জটিলতার কারণে অ্যান্ড্রুর কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট উত্তর না পাওয়া যায়। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কিছু সদস্য ২০২১ সালে কংগ্রেসের মাধ্যমে অ্যান্ড্রুকে সাক্ষী হিসেবে ডাকার দাবি করে, যা তার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

অ্যান্ড্রু সবসময়ই এপস্টেইনের সঙ্গে তার কোনো অবৈধ কাজের অস্বীকার করে আসছেন এবং তিনি যে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করছেন। তবে, প্রকাশিত ইমেইলগুলো তার পূর্বের প্রকাশ্য মন্তব্যের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা দেখছেন।

এই নতুন তথ্যের প্রকাশের ফলে অ্যান্ড্রুর রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রাজনীতিবিদ ও জনসাধারণের মধ্যে তার ওপর আরেকটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে তার কোনো সরকারি দায়িত্ব বা পাবলিক ভূমিকা গ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায়বিচার বিভাগ এখনও অ্যান্ড্রুর কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকারের অনুরোধের উত্তর পায়নি, তবে তারা ভবিষ্যতে অতিরিক্ত আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। এদিকে, অ্যান্ড্রু তার দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে সব অভিযোগের প্রত্যাখ্যান করছেন এবং কোনো নতুন বিবৃতি প্রকাশ করেননি।

এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অ্যান্ড্রুর সম্পর্কিত বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিচ্ছে, যেখানে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনগত প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে অ্যান্ড্রু কি কোনো সাক্ষাৎকার দেবেন, তা এখনও অনিশ্চিত, তবে তার ওপর চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments