21 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগণো অধিকার পরিষদ সভাপতি নূরুল হক নূরকে শো-কার্স নোটিশ, পটুয়াখালী‑৩ নির্বাচনী কোড...

গণো অধিকার পরিষদ সভাপতি নূরুল হক নূরকে শো-কার্স নোটিশ, পটুয়াখালী‑৩ নির্বাচনী কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে

পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গণো অধিকার পরিষদ সভাপতি নূরুল হক নূরকে নির্বাচনী কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে শো-কার্স নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। শো-কার্স নোটিশটি আজ সিভিল জজ সাব্বির মো. খালিদ, যিনি পটুয়াখালী-৩ এলাকার নির্বাচন তদন্ত ও বিচার কমিটির প্রধান, জারি করেছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় নূর সামাজিক মাধ্যমে স্বাধীন প্রার্থী মো. হাসান মামুন সম্পর্কে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছেন, যা ২০২৫ সালের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধির ধারা ১৫(কা) ও ১৬(গা)(ছা)-এর লঙ্ঘন বলে গণ্য।

অধিকন্তু, ২৬ জানুয়ারি রাত প্রায় ৮টায় নূরের সমর্থকরা চা বোরহানে অবস্থিত পাগলা বাজার শেল্টার নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে মামুনের কর্মীদের শারীরিক আঘাত করেন এবং অফিসটি ধ্বংস করেন। এই কাজটি নির্বাচনী কোডের ধারা ৬(কা)-এর সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

কমিটি নূরকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে আহ্বান জানিয়েছে যে, কেন তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া উচিত এবং কেন এই অভিযোগগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো না হয়। নূরকে ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১:৩০টায় দাশমিনায় অনুষ্ঠিত কমিটির সামনে ব্যক্তিগতভাবে অথবা কোনো প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে তার ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।

প্রতিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে, স্বাধীন প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকরা নূরের এই কর্মকাণ্ডকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ন্যায়বিচারকে ক্ষুন্ন করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, মিথ্যা তথ্যের প্রচার ও সহিংসতা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

নূরের দল এই অভিযোগকে অস্বীকার করে এবং দাবি করেছে যে, সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য এবং কোনো অবৈধ কাজের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা আরও বলেছে যে, শো-কার্স নোটিশের ভিত্তি দুর্বল এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শো-কার্স নোটিশের পরবর্তী ধাপ হিসেবে, যদি নূর নির্ধারিত সময়ে ব্যাখ্যা না দেন অথবা ব্যাখ্যা অপর্যাপ্ত বলে বিবেচিত হয়, তবে কমিটি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করতে পারে এবং বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে পারে। এতে নূরের নির্বাচনী প্রচারণা বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং তার প্রার্থীতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

এই ঘটনা পটুয়াখালী-৩ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। উভয় পক্ষই এখন আইনগত প্রক্রিয়ার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে তাদের কৌশল নির্ধারণ করবে। নির্বাচনের আগে এই ধরনের আইনি চ্যালেঞ্জগুলো প্রার্থীদের প্রচারণা ও ভোটারদের ধারণাকে প্রভাবিত করতে পারে।

নোটিশের বিষয়বস্তু ও সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো নির্বাচনী কোডের কঠোর প্রয়োগের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। যদি নূরের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে এটি অন্যান্য প্রার্থীদের জন্য সতর্কতা স্বরূপ কাজ করবে এবং নির্বাচনী সময়ে তথ্যের সত্যতা ও সহিংসতা বিরোধী নীতি মেনে চলার গুরুত্বকে তুলে ধরবে।

অবশেষে, পটুয়াখালী-৩ এলাকার ভোটাররা এই আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং তা তাদের ভোটদানের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচনের ফলাফল ও রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতিতে এই শো-কার্স নোটিশের প্রভাব কী হবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments