ইন্টারভিউতে প্যারিস হিলটন জানান, তিনি ও দীর্ঘদিনের বন্ধু ব্রিটনি স্পিয়ার্স নতুন গানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছেন। দুজনই সঙ্গীত ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সময় এই ধারণা উত্থাপিত হয়েছে। হিলটন উল্লেখ করেন, এখনও পরিকল্পনা প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও দুজনের মধ্যে সৃজনশীল সমন্বয়ের ইচ্ছা স্পষ্ট।
হিলটন বর্তমানে তার তৃতীয় স্টুডিও অ্যালবামের রেকর্ডিং প্রক্রিয়ায় আছেন এবং স্পিয়ার্সের সঙ্গে কাজ করা তার জন্য বড় একটি মাইলফলক হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, এমন একটি সহযোগিতা তার সঙ্গীত যাত্রার পূর্ণবৃত্তি ঘটাবে। “এটি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে সবচেয়ে আইকনিক মুহূর্ত হবে” বলে তিনি স্বপ্নের কথা প্রকাশ করেন।
হিলটন এই সহযোগিতাকে “স্বপ্নের মতো” বর্ণনা করে, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত। তিনি আরও যোগ করেন, স্পিয়ার্সের সঙ্গে কাজ করা তার জন্য অতীতের সাফল্যের সঙ্গে বর্তমানের সৃজনশীলতা মিলিয়ে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হবে। এই সম্ভাবনা উভয় শিল্পীর ভক্তদের জন্যও উত্তেজনা জাগিয়ে তুলেছে।
হিলটনের সঙ্গীত ক্যারিয়ার ২০০৬ সালে স্ব-শিরোনামযুক্ত ডেবিউ অ্যালবাম “Paris” দিয়ে শুরু হয়। দুই দশক পর ২০২৪ সালে তিনি দ্বিতীয় অ্যালবাম “Infinite Icon” প্রকাশ করে পপ সঙ্গীতে ফিরে আসেন। এখন তিনি তৃতীয় অ্যালবামের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা তার শিল্পী হিসেবে পুনর্জাগরণকে আরও দৃঢ় করবে।
ইন্টারভিউতে হিলটন স্পিয়ার্সের ২০০৭ সালের অ্যালবাম “Blackout”কে তার প্রিয় কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এর নির্ভীক স্বরকে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই অ্যালবামটি স্পিয়ার্সের স্বতন্ত্র শৈলী ও শক্তিকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। হিলটন তার মতে, এই রেকর্ডটি পপ সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
দুই শিল্পী সম্প্রতি একে অপরের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে সংযোগ স্থাপন করেছেন; হিলটন স্পিয়ার্সের জন্মদিনে মেক্সিকোতে অংশগ্রহণের কথা জানান। সেখানে তারা প্রাথমিক ২০০০-এর দশকের ট্যাবলয়েড সংস্কৃতির কঠোরতা ও আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে আলোচনা করেন। হিলটন উল্লেখ করেন, উভয়ই সেই সময়ের মিডিয়া আক্রমণের শিকার হওয়ায় একে অপরকে গভীরভাবে বুঝতে পারেন।
হিলটন বলেন, এমন অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা খুব কম সংখ্যক মানুষই করতে পারে, তাই এই বন্ধুত্ব ও সঙ্গীত সহযোগিতা তাদের জন্য বিশেষ অর্থ বহন করে। তিনি অতীতের কষ্টকে স্মরণ করে বর্তমানের সৃজনশীল সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করতে চান। এই সংযোগের মাধ্যমে দুজনই তাদের শিল্পী পরিচয়কে নতুনভাবে গড়ে তুলতে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।
ভবিষ্যতে হিলটন ও স্পিয়ার্সের যৌথ কাজের সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে; উভয়ই সঙ্গীতের মাধ্যমে নিজেদের গল্প পুনর্লিখন করতে ইচ্ছুক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সহযোগিতা কী রূপ নেবে, তা শিল্প জগতের নজরে থাকবে।



