24 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে রুবায়া কলটান খনিতে ধসে দুইশতাধিক মানুষ নিহত

ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে রুবায়া কলটান খনিতে ধসে দুইশতাধিক মানুষ নিহত

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোর পূর্ব প্রদেশে রুবায়া কলটান খনিতে ধস ঘটেছে, যার ফলে দুইশতাধিক নাগরিকের প্রাণ ত্যাগ করেছে। ঘটনাটি বুধবার ঘটেছে এবং খনিটি বর্তমানে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী মার্চ টোয়েন্টিথ্রি মুভমেন্ট (এম২৩) নেতৃত্বাধীন জোটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, মৃতের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি, তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ২২৭ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে।

রুবায়া কলটান খনি বিশ্বব্যাপী তামা ও টেন্টালাম সরবরাহের প্রায় ১৫ শতাংশের জন্য দায়ী, যা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, বিমান যন্ত্রাংশ এবং গ্যাস টার্বাইনসহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি পণ্যের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এই ধাতু উৎপাদনের জন্য খনি থেকে উত্তোলিত কাঁচামাল আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০২৪ সাল থেকে এই খনিটি এম২৩ জোটের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, যা স্থানীয় প্রাদেশিক গভর্নর দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিয়োগকৃত গভর্নর লুমুম্বা কামবেরে মুইসা বলেছেন, খনিতে কাজ করা শ্রমিকরা সীমিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দৈনিক কয়েক ডলার উপার্জন করে। এই শর্তে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ধসের ফলে নারী, শিশু এবং পুরুষ শ্রমিকসহ বিশাল সংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছে। গভর্নর মুইসা উল্লেখ করেছেন, কিছু আহতকে সময়মতো উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তাদের অধিকাংশই গুরুতর আঘাত পেয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২০ জনকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে, যদিও হাসপাতালের ক্ষমতা সীমিত।

মুইসা আরও জানিয়েছেন, বর্তমান বর্ষাকালে মাটির অবস্থা দুর্বল, ফলে খনির ভিতরে কাজ করা শ্রমিকদের উপর মাটি হঠাৎ করে ধসে পড়ে। তিনি বলেন, এই প্রাকৃতিক পরিস্থিতি এবং খনির অপ্রতুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা একসাথে বড় ক্ষতি ঘটিয়েছে।

একজন উপদেষ্টা, যিনি মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার অনুমোদন পেয়েছেন, মৃত্যুর সংখ্যা অন্তত ২২৭ বলে জানিয়েছেন, তবে তিনি নিজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। এই উচ্চতর সংখ্যার প্রকাশের পেছনে তথ্যের স্বচ্ছতা এবং মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা উভয়ই রয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেছেন, এম২৩ নেতৃত্বাধীন এএফসি জোট রুবায়ার সম্পদ লুট করে নিজেদের সামরিক ক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং এতে প্রতিবেশী রুয়ান্ডার সমর্থন রয়েছে। রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে এই অভিযোগের খণ্ডন করা হয়েছে, তবে অঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ডিআর কঙ্গোর সরকার এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রমকে কঠোরভাবে নিন্দা করেছে এবং তুতসি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। গত বছরেও একই গোষ্ঠী পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য খনিজ সমৃদ্ধ এলাকায় দখল বিস্তৃত করেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments