16 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাডজিচেভিচ জ্যানিক সিন্নারকে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শো চুরি

ডজিচেভিচ জ্যানিক সিন্নারকে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শো চুরি

মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তেরোতম দিনে টেনিসের শীর্ষস্থানীয় দুই সেমিফাইনাল শেষ হয়ে গিয়েছে। ৩৮ বছর বয়সী নোভাক ডজিচেভিচ, জ্যানিক সিন্নারকে পরাজিত করে পুরুষ সিঙ্গেল শিরোপার পথে অগ্রসর হয়। একই সন্ধ্যায় ক্যার্লোস আলকারাজ অ্যালেক্সান্ডার জ্ভেরেভকে হারিয়ে প্রথম সেমিফাইনাল জয় করেন।

দুই ম্যাচই মেলবোর্ন পার্কের রড লেভার আরিনায় রাতের দেরিতে অনুষ্ঠিত হয়। আলকারাজ ও জ্ভেরেভের টাক-টাক ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ত্রয়ী সেটে শেষ হয়, যা শেষ ১৬ থেকে শুরু করে মোট চারটি ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র একটিই সরাসরি সেটে শেষ হয়। ডজিচেভিচের সিন্নারবিরোধী ম্যাচটি তীব্রতা ও উত্তেজনায় ভরপুর ছিল, যেখানে হাজারো সার্বিয়ান ভক্ত রাত ১:৩০ টায় স্টেডিয়ামের চারপাশে নাচের মতো উল্লাস করে।

ডজিচেভিচের জয় তার ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপার স্বপ্নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। তিনি ম্যাচের পর দর্শকদের সঙ্গে কথা বলে জানান, “আলকারাজ ও জ্ভেরেভের ম্যাচটি সত্যিই চমৎকার ছিল, আমরা তেমনই তীব্রতা বজায় রাখতে চেয়েছি।” এছাড়া তিনি টিকিটের মূল্যের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, “আপনাদের টিকিটের জন্য মূল্য পাওয়া নিশ্চিত, আমি আজ রাতের বিক্রয় থেকে ১০% চাই।” এই মন্তব্যগুলো দর্শকদের মধ্যে হাসি-খুশি ছড়িয়ে দেয়।

আলকারাজের জ্ভেরেভের বিরুদ্ধে জয়টি শেষ ১৬ থেকে শুরু করে মাত্র চতুর্থ ম্যাচ যা সরাসরি সেটের বাইরে গিয়েছে, এবং এটি পুরুষ ও মহিলা উভয় ড্রয়ের মধ্যে গৃহীত হয়েছে। আলকারাজের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পরেও ডজিচেভিচের পারফরম্যান্সই শোয়ের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে। তার জয়টি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় ফলাফল, বিশেষ করে তার আগে অর্জিত সব শিরোপা বিবেচনা করলে।

ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামের বাইরে বড় স্ক্রিনে ম্যাচ দেখছিলেন ২৭ বছর বয়সী সাশা স্ট্যানিসিক, যিনি বললেন, “আমি যখন নয় বছর বয়সে প্রথম ডজিচেভিচকে দেখেছি, তখন থেকে এই অনুভূতি সবচেয়ে চমৎকার।” তিনি ডজিচেভিচের ২০১৯ উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপের পরে এই রাতকে তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের দ্বিতীয় সপ্তাহে শীর্ষ সিডেড খেলোয়াড়দের সহজ জয় এবং কম নাটকীয় মুহূর্তের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিল। তবে আলকারাজ-জ্ভেরেভ এবং ডজিচেভিচ-সিন্নার ম্যাচের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে নতুন উত্তেজনা ফিরে এসেছে। এই দুই সেমিফাইনাল শেষে, পুরুষ সিঙ্গেল ফাইনালে ডজিচেভিচের সম্ভাবনা বাড়ছে, আর আলকারাজের পারফরম্যান্স তাকে ফাইনালের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরেছে।

পরবর্তী ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, ডজিচেভিচ এবং আলকারাজ উভয়েই ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা টেনিস ভক্তদের জন্য একটি বড় আকর্ষণ হবে। টুর্নামেন্টের আয়োজকরা দর্শকদের জন্য অতিরিক্ত বিনোদন ও সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের “হ্যাপি স্ল্যাম” শিরোনামটি বাস্তবে রূপ নেয়।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments