16 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeবিনোদন‘Melania’ ডকুমেন্টারির প্রথম সপ্তাহের রিভিউ ও বক্স অফিস পূর্বাভাস

‘Melania’ ডকুমেন্টারির প্রথম সপ্তাহের রিভিউ ও বক্স অফিস পূর্বাভাস

ব্রেট রাটনার পরিচালিত ‘Melania’ ডকুমেন্টারিটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে আমাজন ও এমজিএমের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে। ডকুমেন্টারিটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রীর জীবনের শেষ ২০ দিন, যখন তিনি ২০২৫ সালের শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তা অনুসন্ধান করে। এই চলচ্চিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের ১,৫০০ টিরও বেশি থিয়েটারে একসাথে প্রদর্শিত হওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রযোজনা দল রাটনারের পূর্বের বিতর্কিত কাজের সঙ্গে যুক্ত, যিনি পূর্বে বেশ কয়েকটি স্ক্যান্ডাল মোকাবেলা করেছেন। চলচ্চিত্রের বাজেট প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ডলার, যা শিল্পের ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল ডকুমেন্টারিরূপে বিবেচিত। এই উচ্চ ব্যয়কে কিছু বিশ্লেষক ‘লবিং’ হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন।

‘Melania’ প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় প্রকাশিত হওয়ায়, এটি শুধুমাত্র বিনোদন নয়, রাজনৈতিক সূচক হিসেবেও নজর কেড়েছে। আমাজন ও এমজিএমের সহযোগিতায় তৈরি এই প্রকল্পটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি থিয়েটারেও মুক্তি পেয়েছে। ফলে দর্শকসংখ্যা ও বক্স অফিসের ফলাফল উভয়ই বিশ্লেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হয়ে দাঁড়াবে।

প্রদর্শনের প্রথম সপ্তাহে বক্স অফিসের প্রাথমিক অনুমান ন্যাশনাল রিলিজ গেজ (NRG) দ্বারা প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার হিসেবে করা হয়েছে। ডকুমেন্টারির এই পরিমাণে সফলতা অর্জন করা হলে, এটি ডকুমেন্টারি ঘরানার মধ্যে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে। তবে থিয়েটার মালিকদের মধ্যে এই আয় কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

ডকুমেন্টারির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানটি কেএনেডি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তবে প্রধান মিডিয়া আউটলেটগুলোকে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে অনুষ্ঠানটি সীমিত করা হয়। এই পদক্ষেপটি চলচ্চিত্রের প্রচার কৌশলকে আরও বিতর্কিত করে তুলেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় থিয়েটারের আসন খালি থাকা স্ক্রিনশটগুলো ব্যাপকভাবে শেয়ার হয়েছে, যা কিছু দর্শকের মধ্যে আগ্রহের অভাবের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, কিছু ব্যবহারকারী চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে।

প্রাথমিক রিভিউগুলো বেশিরভাগই কঠোর সমালোচনা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। হলিউড রিপোর্টারসহ বেশ কয়েকটি প্রধান সংবাদপত্রের সমালোচকরা চলচ্চিত্রের শৈলী ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

হলিউড রিপোর্টারের মতে, ডকুমেন্টারিটি বিষয়বস্তুর প্রতি অতিরিক্ত প্রশংসা করে এমন একটি স্বর বজায় রেখেছে, যা দর্শকের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুভূতি উস্কে দিতে ব্যর্থ হয়েছে। চলচ্চিত্রের চিত্রায়ন ও সঙ্গীতের গুণমান উচ্চ হলেও, রাটনারের কিছু দৃশ্য সুপার-৮ ফিল্মের মতো পুরোনো শৈলীতে রূপান্তরিত করা হয়েছে, যা ট্রাম্প পরিবারকে অতীতের গৌরবের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা যায়।

বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলচ্চিত্রের শেষ অংশে মেলানিয়ার প্রথম স্ত্রীরূপে অর্জনগুলোকে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা কিছু সমালোচককে অতিরিক্ত প্রশংসামূলক বলে মনে হয়েছে। এই ধরনের উপস্থাপনাকে প্রায়শই প্রোপাগান্ডা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অন্যান্য সমালোচকরা চলচ্চিত্রের সম্পাদনা পদ্ধতি ও বর্ণনামূলক কাঠামোকে অস্থির বলে উল্লেখ করেছেন। তারা বলেন, ডকুমেন্টারিটি বিষয়বস্তুর গভীর বিশ্লেষণ থেকে দূরে সরে কেবলমাত্র চিত্রময় উপস্থাপনায় সীমাবদ্ধ। ফলে দর্শকের জন্য তথ্যের গভীরতা কমে যায়।

এইসব সমালোচনার পরও, চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সাফল্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হতে পারে। মেলানিয়ার জীবনের এই দিকটি কতটা জনমতকে প্রভাবিত করবে, তা বক্স অফিসের সংখ্যা ও দর্শকের প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট হবে।

সামগ্রিকভাবে, ‘Melania’ ডকুমেন্টারিটি উচ্চ বাজেট, বিশাল বিতরণ এবং তীব্র সমালোচনার সমন্বয়ে একটি অনন্য ঘটনা হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছে। এর পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ডকুমেন্টারির উৎপাদন ও বিতরণ নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments