19 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টির হসনাত আবদুল্লাহ লাক্ষাম র্যালিতে মিডিয়া ও প্রশাসনকে লক্ষ্য করে...

ন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টির হসনাত আবদুল্লাহ লাক্ষাম র্যালিতে মিডিয়া ও প্রশাসনকে লক্ষ্য করে মন্তব্য

কুমিল্লা জেলার লাক্ষাম এলাকায় আজ (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনী র্যালিতে ন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টির দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান সংগঠক হসনাত আবদুল্লাহ মিডিয়া, পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর তীব্র সমালোচনা করেন। ১১ দলীয় জোটের কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) নির্বাচনী প্রার্থী হসনাত র্যালির বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী পরিবেশে মিডিয়া ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সতর্কবার্তা দেন।

র্যালিটি ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের পূর্বে একাধিক স্থানে অনুষ্ঠিত তিনটি সমাবেশের একটি ছিল; ফেনি, লাক্ষাম এবং কুমিল্লা টাউন হল গ্রাউন্ডে একই সময়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে জামায়াত-এ-ইসলামির আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং সমাবেশে অংশগ্রহণকারী উপস্থিতি বিশাল ছিল।

হসনাত আবদুল্লাহ মিডিয়াকে লক্ষ্য করে বলেন, জুলাই মাসের পরেও কিছু মিডিয়া কর্মী মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা থেকে বের হতে পারছেন না। তিনি বিশেষ করে সোময় টিভি, একাত্তর টিভি ও ডিবিসি-কে উল্লেখ করে বলেন, এ সব চ্যানেল এজেন্সি রিপোর্টকে সরাসরি প্রচার করে এবং মালিকানা পরিবর্তন হলেও তাদের স্বভাব অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। তিনি এ ধরনের চর্চাকে ‘জনসাধারণের আদালতে’ আনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

মিডিয়া সম্পর্কে হসনাতের মন্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, মিডিয়া শুধুমাত্র প্রশ্ন করে এবং সব ধরনের প্রশ্ন ও সমস্যার দায়িত্ব ন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টির ওপর আরোপ করে। তিনি বলেন, মিডিয়া আমাদের আয়, জীবিকার খরচ, পোশাক কেনা, রাজনৈতিক প্রোগ্রাম আয়োজন ইত্যাদি প্রশ্ন করে, তবে এক নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রশংসা ও প্রশংসা ছাড়া অন্য কিছুই প্রকাশ করে না। এই ধরনের পক্ষপাতিত্বের ফলে জনমত গঠনে অসমতা দেখা দেয়।

প্রশাসন ও পুলিশকে সম্বোধন করে হসনাত জোর দেন, তাদের দায়িত্ব জনগণের কাছে, গুলশান বা ধানমন্ডির নয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রশাসন ও পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের অধীন নয়; তারা জামায়াত-এ-ইসলামি, বিএনপি বা ন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টির নয়, বরং পুরো বাংলাদেশীর সেবা করতে হবে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক স্বতন্ত্রতা ও ন্যায়বিচার রক্ষার আহ্বান জানান।

হসনাতের শেষ মন্তব্যে তিনি ভোট চুরি, রাতের সময়ে ভোট সংগ্রহ ও ‘নাইট-টাইম ইলেকশন’ নিয়ে সতর্কতা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, যদি এমন অনিয়ম চালু থাকে তবে তা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আইনগত পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এই র্যালি এবং হসনাতের মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। মিডিয়া ও প্রশাসনের ওপর তীব্র সমালোচনা এবং ভোট চুরির বিরুদ্ধে সতর্কতা আগামী নির্বাচনে পার্টিগুলোর কৌশলগত অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে মিডিয়া সংস্থাগুলোর স্বতন্ত্রতা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। ন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টি এই র্যালির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে তাদের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করতে চায়, তবে একই সঙ্গে মিডিয়া ও প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা বাড়তে পারে। আগামী সপ্তাহে র্যালির প্রভাব এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments