19 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশফিকুর রহমানের মন্তব্যে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অপরিবর্তিত চরিত্রের মানুষ অযোগ্য

শফিকুর রহমানের মন্তব্যে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অপরিবর্তিত চরিত্রের মানুষ অযোগ্য

কুমিল্লা-৯ (লাকশাম‑মনোহরগঞ্জ) আসনে শুক্রবার সন্ধ্যায় লাকশাম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জামায়াত-এ-ইসলামির নির্বাচনী সভায় শফিকুর রহমান তার প্রধান অতিথি বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানান যে, দেশের চরিত্রে পরিবর্তন না আনা ব্যক্তিদের ওপর নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ১৩ তারিখে নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য প্রায় ১৮ কোটি মানুষ অপেক্ষা করছে, তবে ফ্যাসিবাদী মনোভাব বজায় রাখা ব্যক্তিদের সঙ্গে ফ্যাসিবাদমুক্ত সমাজ গড়া অসম্ভব।

শফিকুর রহমানের মতে, যারা এখনও ফ্যাসিবাদী আচরণ বজায় রাখে, যারা জুলাইয়ের স্বীকৃতি দেয় না এবং সংস্কারকে অগ্রাহ্য করে, তাদেরকে নতুন দেশের নির্মাণে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এমন ব্যক্তিদের দরকার যাদের মধ্যে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস রয়েছে, এবং তিনি দাবি করেন যে এই সাহস জামায়াত-এ-ইসলামির মধ্যে বিদ্যমান।

অতীতের কষ্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতের নেতাদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা ভুয়া সাক্ষী ও মিথ্যা আদালতের মাধ্যমে বহু নেতা নিহত হয়েছেন। তবুও, তিনি জোর দিয়ে বলেন, জামায়াত কখনো দেশের প্রতি নীচে নেমে না গিয়ে, না দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, এবং ভবিষ্যতেও ইনশা আল্লাহ এই অবস্থান বজায় রাখবে।

বিএনপির সমালোচনা করে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বর্তমানে ঘরে ঘরে পরিবারিক কার্ড বিতরণ হচ্ছে, যেখানে কার্ড মা হাতে দেওয়া হচ্ছে, বাবা নয়। তিনি এই নীতিকে ‘বোকামি’ বলে সমালোচনা করে বলেন, মায়েরা এখন নিরাপদ বাংলাদেশ চাইছে, তারা বিশ্বাস করে যে দায়ের পাল্লা ও তার সঙ্গীই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।

শফিকুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, জামায়াতের কোনো ‘মামা‑খালু’ বা ‘বেগমপাড়া’ নেই; দেশের একমাত্র পাড়া হল বাংলাদেশ। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু নেতা স্বাস্থ্যের অজুহাত দিয়ে বিদেশে চলে যান, যদিও দেশের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই। তবু, তিনি তর্ক করেন যে এই নেতারা একসময় স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, এখন কেন দেশের গঠন থেকে দূরে সরে গেছেন।

রাজনীতিবিদদের দেশপ্রেমের দায়িত্ব নিয়ে তিনি কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, কিছু নেতা জনগণের টাকা লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করেন, নিজের সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য অবৈধ আয় করেন, তবু নিজেদেরকে দেশপ্রেমিক বলে দাবি করেন। শফিকুর রহমানের মতে, এই ধরনের ভণ্ডামি আর সহ্য করা যাবে না, এবং প্রকৃত দেশপ্রেমিককে সব কাজেই দেশের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের পর, উপস্থিত সমর্থকরা তালি দিয়ে সম্মতি জানায় এবং জামায়াত-এ-ইসলামির নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দেন, শফিকুরের এই রেটোরিক্স জামায়াতের ভোটার ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে এবং বিরোধী দলের নীতিগুলোর দুর্বলতা তুলে ধরতে লক্ষ্যবস্তু। আগামী সপ্তাহে নির্বাচনের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, শফিকুরের এই ধরনের প্রকাশনা পার্টির কৌশলগত অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments