19 C
Dhaka
Saturday, January 31, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনকেটি ব্ল্যাঙ্কেট রটারড্যামে দ্বিতীয় রাউন্ডের ডিসপ্লেসমেন্ট ফিল্ম ফান্ড উন্মোচন

কেটি ব্ল্যাঙ্কেট রটারড্যামে দ্বিতীয় রাউন্ডের ডিসপ্লেসমেন্ট ফিল্ম ফান্ড উন্মোচন

অস্ট্রেলিয়ার অভিনেত্রী কেটি ব্ল্যাঙ্কেট রটারড্যাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের (IFFR) সঙ্গে যৌথভাবে ডিসপ্লেসমেন্ট ফিল্ম ফান্ডের দ্বিতীয় ধাপের ঘোষণা করেন। শুক্রবার ডাচ বন্দর শহরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের বিশ্বপ্রদর্শনী হয়। এই প্রকল্পের লক্ষ্য স্থানচ্যুত মানুষদের গল্পকে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা।

উদযাপনটি রটারড্যামের হুবার্ট বালস ফান্ডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইরান, সিরিয়া, আফগানিস্তান, সোমালিয়া এবং ইউক্রেনের পরিচালকরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন ইরানি পরিচালক মোহাম্মদ রাসুলফের “দ্য সিড অফ দ্য স্যাক্রেড ফিগ” এবং ইউক্রেনীয় মেরিনা এর গর্বাচের “ক্লোনডাইক”-এর পর্দা উন্মোচন।

সোমালি-অস্ট্রিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা মো হরাওয়ের “দ্য ভিলেজ নেক্সট টু পারাডাইস” এবং আফগানিস্তানীয় শারবানো সাদাতের “দ্য ভিলেজ নেক্সট টু পারাডাইস”-এর মতো কাজগুলোও একই মঞ্চে উপস্থাপিত হয়। সিরিয়ার হাসান কাট্টানের “লাস্ট মেন ইন আলেপো” চলচ্চিত্রটি শরণার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে।

প্রতিটি চলচ্চিত্রের জন্য ফান্ড থেকে একশো হাজার ইউরো (প্রায় একশো বিশ হাজার ডলার) অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এই অর্থায়ন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সৃজনশীল স্বাধীনতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শারবানো সাদাত, যিনি জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছেন, আগামী মাসে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে তার কাজ উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার গল্পটি শরণার্থীদের সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষার গুরুত্বকে তুলে ধরে।

হাসান কাট্টান সিরিয়ার অ্যালেপো শহরের শেষ বেঁচে থাকা মানুষদের সংগ্রামকে নথিভুক্ত করেছেন। তার চলচ্চিত্রটি যুদ্ধের পরিণতি এবং মানবিক সহনশীলতার বার্তা বহন করে।

ব্ল্যাঙ্কেটের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রেস কনফারেন্সে ফান্ডের কাজ এবং চলচ্চিত্রগুলোর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে স্থানচ্যুতি একটি একরূপ অভিজ্ঞতা নয়, বরং বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকাশ পায়।

দ্বিতীয় রাউন্ডের অনুদান স্কিমের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) যুক্ত হয়েছে। এই সহযোগিতা শরণার্থীদের বাস্তব সমস্যার সমাধানে চলচ্চিত্রের ভূমিকা বাড়াবে।

প্রাথমিক অংশীদার হিসেবে আমাহোরো কোয়ালিশন, মাস্টার মাইন্ড, তামার ফ্যামিলি ফান্ড এবং ইউনিক্লোর পাশাপাশি নতুন বড় অংশীদার SP লোহিয়া ফান্ডও যোগদান করেছে। এই সমন্বিত সমর্থন ফান্ডের টেকসইতা নিশ্চিত করবে।

ব্ল্যাঙ্কেট ফান্ডকে “একটি আবেগময় প্রকল্প” বলে প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে পাঁচটি চলচ্চিত্রের শৈলী ও বিষয়বস্তু একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেন, একসাথে দেখলে এই চলচ্চিত্রগুলো মানবিক অভিজ্ঞতার বহুমুখিতা প্রকাশ করে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান সময়ে সত্যের ধারণা ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্যের পুনর্নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ফান্ডের কাজকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন।

উদ্যোগের পরবর্তী ধাপ হিসেবে শরণার্থীদের গল্পকে বিশ্বব্যাপী দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তাদের উপস্থিতি বাড়ানো লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই প্রচেষ্টা শরণার্থীদের মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments