21 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবারিশাল‑৫ের BSD প্রার্থী মানিশা চক্রবর্তী মাটির ব্যাংক দান দিয়ে ক্যাম্পেইন তহবিল সংগ্রহ...

বারিশাল‑৫ের BSD প্রার্থী মানিশা চক্রবর্তী মাটির ব্যাংক দান দিয়ে ক্যাম্পেইন তহবিল সংগ্রহ শুরু

বারিশাল-৫ আসন থেকে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (BSD) এর প্রার্থী মানিশা চক্রবর্তী আজ বারিশাল পার্টি অফিসে একটি নতুন তহবিল সংগ্রহ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য স্বচ্ছ ও গৃহস্থালি তহবিল গঠন করা।

প্রথম পর্যায়ে দশটি মাটির ব্যাংক (ধনবাক্স) থেকে মোট দশ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। এই ব্যাংকগুলো পূর্বে সাধারণ মানুষকে দান জমা করার জন্য বিতরণ করা হয়েছিল এবং আজ প্রথম দফায় সেগুলো খোলা হয়।

মানিশা চক্রবর্তী জানান, নির্বাচনে অর্থের প্রভাব প্রায়ই ফলাফল নির্ধারণ করে, তাই এই সংস্কৃতি ভাঙতে তারা গৃহস্থালি দানের পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, “অর্থের লেনদেনকে স্বচ্ছ করে না হলে নির্বাচন সত্যিকারের পরিষ্কার হবে না।”

প্রার্থীর প্রচারণা চিহ্ন হিসেবে “মই” (সিঁড়ি) ব্যবহার করা হয় এবং তিনি জানান, একশেরও বেশি মাটির ব্যাংক কর্মী ও সমর্থকদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম দফায় দশটি ব্যাংক খোলা হয়েছে, বাকি নব্বইটি ধীরে ধীরে চালু করা হবে।

অতিরিক্তভাবে, তিনি সমর্থকদের মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করে দান করতে আহ্বান জানান। এই পদ্ধতি ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে দ্রুত ও নিরাপদ তহবিল সংগ্রহে সহায়তা করবে বলে তিনি আশাবাদী।

মানিশা চক্রবর্তী ‘কালো টাকা’ ব্যবহারকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদের প্রবাহের ফলে প্রার্থীরা পরে তাদের ব্যয় পুনরুদ্ধার করতে বাধ্য হয়, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে ক্ষুন্ন করে।

তিনি আরও যোগ করেন, “কালো টাকা না থামলে সৎ ও সক্ষম মানুষ রাজনীতিতে প্রবেশে অনিচ্ছুক হবে, ফলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি একই রকম থাকবে।” এই বক্তব্যে তিনি নির্বাচনের ন্যায়পরায়ণতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

ভোটারদেরও তিনি আহ্বান জানান, ভোটের সময় কালো টাকার প্রভাবের বিরুদ্ধে তাদের মতামত প্রকাশ করতে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভোটের ডেবেটের মাধ্যমে এই অনৈতিক প্রথা শেষ করা সম্ভব।

উদ্যোগের সময় BSD কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশিদ ফিরোজসহ অন্যান্য কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এই তহবিল সংগ্রহের রাজনৈতিক গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, গৃহস্থালি দানের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা এখনো দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিরল, এবং এটি প্রার্থীর স্বচ্ছতা ও জনসাধারণের বিশ্বাস বাড়াতে পারে। তবে এই পদ্ধতি কতটা কার্যকর হবে তা সময়ই বলে দেবে।

পরবর্তী ধাপে, অবশিষ্ট নব্বইটি মাটির ব্যাংক ধীরে ধীরে সক্রিয় করা হবে এবং সমর্থকদের আরও দান আহ্বান করা হবে। এই ধারাবাহিকতা তহবিলের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সমগ্র উদ্যোগের লক্ষ্য হল ‘অর্থের আধিপত্য’ ছাড়া একটি পরিষ্কার ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন নিশ্চিত করা, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments