26 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধইন্দোনেশিয়ায় শারীরিক সম্পর্ক ও মদপানের জন্য যুগলকে ১৪০ বার বেত্রাঘাত

ইন্দোনেশিয়ায় শারীরিক সম্পর্ক ও মদপানের জন্য যুগলকে ১৪০ বার বেত্রাঘাত

ইন্দোনেশিয়ার আটলান্টিক দ্বীপপুঞ্জের আটটি প্রদেশের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ও মদপানের শাস্তি হিসেবে, ২১ বছর বয়সী এক তরুণী ও তার সঙ্গীকে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে মোট ১৪০ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে। এই ঘটনা ৩০ জানুয়ারি শুক্রবারের বিবিসি অনলাইন প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয় এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা সম্পন্ন হয়।

বেত্রাঘাতের সময় তিনজন নারী অফিসার তরুণীর উপর বেত ব্যবহার করে শাস্তি আরোপ করে। শাস্তি চলাকালীন তরুণী কান্নায় ভেজা হয়ে অবশ হয়ে যায় এবং শারীরিকভাবে অক্ষম অবস্থায় পড়ে। তার অবস্থা দেখে অফিসাররা অবিলম্বে তাকে স্টেজের কাছের অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নিয়ে যায়।

অ্যাম্বুলেন্সে পৌঁছানোর পর তরুণীকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তাকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। তার অবস্থা অস্থায়ীভাবে অচলাবস্থা থেকে সেরে ওঠার পথে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

একই দিনে, ওই যুগলের পাশাপাশি আরও চারজনকে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। এই চারজনের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ইসলামিক ফোর্সের একজন সদস্যও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাকে শারীরিক সম্পর্কের পাশাপাশি মদপানের অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়। সকল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইসলামিক শারিয়া আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অচেহ প্রদেশে শারিয়া আইনের লঙ্ঘনের জন্য বেত্রাঘাত একটি নিয়মিত শাস্তি হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ১০০ বার বেত্রাঘাত এবং মদপানের ক্ষেত্রে ৪০ বার বেত্রাঘাতের শাস্তি নির্ধারিত আছে। এই শাস্তিগুলি স্থানীয় শারিয়া আদালতের অনুমোদন পেয়ে কার্যকর করা হয়।

গতকাল, ইসলামিক ফোর্সের সদস্যকে ব্যক্তিগত বাড়িতে নারী পার্টনারের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর জন্য ২৩ বার বেত্রাঘাত করা হয়। এই শাস্তি প্রাইভেট স্থানে ঘটেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সম্পন্ন হয়েছে।

অচেহের ইসলামিক ফোর্সের প্রধান মুহাম্মদ রিজাল এই ঘটনার পর অফিসিয়াল মন্তব্যে জানান, সংশ্লিষ্ট সদস্যকে পার্টনারের বাড়িতে ধরা পড়েছে এবং শাস্তি সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পদত্যাগের আদেশ দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শারিয়া আইনের কঠোর প্রয়োগের জন্য কোনো ব্যতিক্রম করা হবে না।

শাসন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সকল শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় শারিয়া আদালত ও পুলিশ বিভাগ ঘটনাগুলোর তদন্তে যুক্ত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিচারিক রায়ের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এই ধরনের শাস্তি সামাজিক ও মানবাধিকার সংস্থার কাছ থেকে সমালোচনার মুখে রয়েছে, তবে স্থানীয় আইন অনুসারে শাস্তি কার্যকর করা হচ্ছে।

বিবিসি রিপোর্ট অনুসারে, শারিয়া আইনের অধীনে শাস্তি প্রয়োগের পদ্ধতি ও শর্তাবলী স্পষ্টভাবে নির্ধারিত, এবং এই শাস্তিগুলি প্রদেশের আইনগত কাঠামোর অংশ হিসেবে চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের শাস্তি সংক্রান্ত আইনি বিতর্ক ও মানবাধিকার সংক্রান্ত আলোচনার সম্ভাবনা বাড়তে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments