26 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনদক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন, তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরা

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন, তরুণদের ভূমিকা তুলে ধরা

শুক্রবার সকালেই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি স্থানীয় প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে আয়োজিত হয় এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তিনি উন্মুক্ত মঞ্চে উপস্থিত ভিড়কে স্বাগত জানিয়ে উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে পিঠা বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা শুধুমাত্র খাবার নয়, সামাজিক বন্ধন, পারিবারিক মিলন এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক। তিনি বলেন, শীতের আগমনে গ্রামবাংলায় পিঠা‑পুলির উৎসবের শুরুর ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত হয় এবং এই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

নিপুণ রায় চৌধুরী আরও জোর দিয়ে বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তির পতনে তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা উল্লেখ করে বর্তমানের যুবকদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন। তার কথায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আজকের বাংলাদেশ গড়তে তরুণদেরই দায়িত্ব।

উৎসবের মঞ্চে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা সাজানো হয়। দুধ চিতই, রস মঞ্জুরি পিঠা, ঝাল পাটিসাপটা, খলা ঝালি পিঠা, নারকেল নাড়ু, পাটিসাপটা, বাঁশবোঁশা পিঠা, ভাপা পিঠা, তেলের পিঠা, ডিম পোয়া পিঠা, পুলি পিঠা, নারকেল পিঠা এবং নোনাস পিঠা সহ আরও নানা রকমের পিঠা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত ছিল। প্রতিটি পিঠার স্বাদ ও গন্ধ উপস্থিতদের আকৃষ্ট করে, ফলে মাঠে রঙিন ভিড় গড়ে ওঠে।

আয়োজকদের মতে, এই পিঠা উৎসবের মূল লক্ষ্য হল নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাঙালি ঐতিহ্যের চর্চা বাড়ানো। সকালবেলায় উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও বিকেলের সময় নারী, শিশু ও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। পরিবারগুলো একত্রে পিঠা চেখে আনন্দ ভাগাভাগি করে, যা সামাজিক সংহতি জোরদার করে।

অনুষ্ঠানের শেষে আয়োজকরা জানিয়ে দেন, পিঠা উৎসবের সফলতা দেখে ভবিষ্যতে প্রতি বছর এ ধরনের অনুষ্ঠান পুনরায় আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এভাবে ঐতিহ্যবাহী পিঠার সংস্কৃতি ধারাবাহিকভাবে সংরক্ষণ করা এবং তরুণদের মধ্যে সাংস্কৃতিক গর্ব জাগ্রত করা সম্ভব হবে।

সারসংক্ষেপে, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পিঠা উৎসব কেবল রন্ধনশৈলীর প্রদর্শনী নয়, বরং বাঙালি পরিচয়ের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তরুণদের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের এক মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রতি আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠার সম্ভাবনা আরও দৃঢ় হয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments