দক্ষিণ আফ্রিকা এ বৃহস্পতিবার সুপারস্পোর্ট পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টুয়েন্টি-২০ আন্তর্জাতিকের দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিজ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা এ ৭ উইকেটের পার্থক্যে ১৫ বল বাকি রেখে ২২৫ রান করে লক্ষ্য অর্জন করেছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে ৪৪১ রান না করে ২২১ রান চার উইকেটের সঙ্গে শেষ করেছে। শিম্রন হেটমায়ার ৭৫ রান, শেরফেন রাদারফোর্ড ৫৭* (২৪ বল) এবং ব্র্যান্ডন কিং ৪৯ রান করে দলকে বড় স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। হেটমায়ার ও রাদারফোর্ডের দ্বিতীয় উইকেটের অংশীদারিত্ব ১২৬ রান (৬২ বল) ছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকা এ লক্ষ্য অর্জনের পথে কৌশলগত পরিবর্তন দেখা যায়। মাঝের ওভারে স্কোরিং গতি কমিয়ে কেশব মহারাজের বামহাতি স্পিনার চার ওভারে ২ উইকেটের সঙ্গে ২২ রান দিল। তবে শেরফেন রাদারফোর্ডের শেষের ওভারে ২৪ বলে ৫৭* রান দলকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যায়।
কুইন্টন ডি কোক ৩৩ বছর বয়সে ধার করা ব্যাট দিয়ে ৪৯ ডেলিভারিতে ১১৫ রান তৈরি করে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্কোর রেকর্ড করেছে। তিনি মোট ছয়টি চার এবং দশটি ছয় মারেছেন। ডি কোক ব্যাট ছাড়া বাড়ি থেকে কিছু ব্যাট ভুলে গেছেন বলে জানিয়ে, উর্ধ্বতন তারকা ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ব্যাট ধার নিয়েছেন।
ডি কোকের সঙ্গে বামহাতি লেফট-হ্যান্ডার রায়ান রিকেলটন ৭৭* রান করে দ্বিতীয় উইকেটের অংশীদারিত্ব ১৬২ রান গড়ে তুলেছে। রিকেলটনের অট-নট আউট পারফরম্যান্স দক্ষিণ আফ্রিকা একে লক্ষ্য থেকে মাত্র ৩ বল বাকি রেখে শেষ করতে সাহায্য করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা এ দ্রুতগামী অ্যানরিচ নোর্টজে তিন ওভারে ৫৯ রান দিয়ে কোনো উইকেট নিতে পারেনি, যা দলের সামগ্রিক রেকর্ডে এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। শেষের চার ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬৮ রান যোগ করেছে, তবে তা লক্ষ্য অর্জনে বাধা দিতে পারেনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যাপ্টেন শাই হোপ বললেন, ব্যাটিং ভালো ছিল, তবে সেন্টুরিয়নে বোলিং কন্ডিশন কঠিন ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা এ এই জয় তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল চেজ, যা ২০২৩ সালে একই ময়দানে ২৫৯ রান (৪ উইকেট) দিয়ে করা হয়েছিল।
ডি কোকের পূর্বের একমাত্র T20I শতক ২০২৩ সালে একই ময়দানে ৪৪ বলে ১০০ রান ছিল। এই ম্যাচে তিনি আবার শতক অতিক্রম করে সিরিজ জয়ের চাবিকাঠি ধরেছেন।
সিরিজের ফলাফল নিশ্চিত হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা এ এখন টুর্নামেন্টের পরবর্তী পর্যায়ে মনোযোগ দিতে পারে, যদিও পরবর্তী ম্যাচের সময়সূচি এখনও প্রকাশিত হয়নি।



