18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবাংলাদেশের অধিনবীন দল জিম্বাবুয়ে শেষ সুপার সিক্সে মুখোমুখি

বাংলাদেশের অধিনবীন দল জিম্বাবুয়ে শেষ সুপার সিক্সে মুখোমুখি

বাংলাদেশের অধিনবীন দল আইসিসি অধীন ১৯ বছর বয়সী বিশ্বকাপের শেষ সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ের হরারে জিম্বাবুয়ে দলের মুখোমুখি হবে। দলটি টুর্নামেন্টের আগে ৩০‑এর বেশি ম্যাচ খেললেও অর্ধচূড়ান্তে পৌঁছাতে পারেনি। কোচ নাভিদ নওয়াজ দলীয় ক্যাম্পেইন, বৃষ্টির প্রভাব, ভ্রমণ ক্লান্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিশদভাবে জানালেন।

প্রশিক্ষণ ম্যাচগুলো বৃষ্টির কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যা দলের প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা দিল। ভারত এ দলের সঙ্গে ডিএলএস প্রয়োগের সময় প্রতি ওভারে সাতের বেশি রান দরকার ছিল, তবে ভেজা পিচে বল কম উচ্চতা পেয়ে দলটি চাহিদা পূরণ করতে পারেনি। একইভাবে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে নির্ধারিত ম্যাচ সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায়, আর শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিং পারফরম্যান্স প্রত্যাশার নিচে ছিল।

ভারত এ দলের বিরুদ্ধে বড় অংশে আধিপত্য বজায় রাখার পর হারের ফলে মানসিক প্রভাবের কথা কোচ উল্লেখ করেননি; বরং তিনি বললেন, এশিয়া কাপের পর থেকে বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু ম্যাচ বাদ পড়ায় খেলোয়াড়দের ধারাবাহিকতা ও আত্মবিশ্বাসে ক্ষতি হয়েছে। ধারাবাহিক ম্যাচের অভাবই দলকে চাপের মুহূর্তে দুর্বল করে তুলেছে।

চাপের পরিস্থিতিতে পারফরম্যান্স উন্নত করার জন্য নাভিদ নওয়াজ জোর দিয়ে বলেন, অধিনবীন স্তরে যত বেশি ক্রিকেট খেলবে ততই মানসিক শক্তি বাড়বে। তিনি উদাহরণ হিসেবে ভারত এ দেশের এক স্কুল ক্রিকেটারের ২৯,০০০ রান ও ২৯টি শতক উল্লেখ করেন, যা দেখায় যে ধারাবাহিক খেলায়ই চাপ সামলানোর ক্ষমতা গড়ে ওঠে।

টুর্নামেন্টের সময়সূচি নিয়ে কোচের আরেকটি উদ্বেগ ছিল ভ্রমণ ক্লান্তি। হরারে পৌঁছানোর পর দলটি ৬০০ কিলোমিটার দূরে দুইটি প্রশিক্ষণ ম্যাচের জন্য গিয়েছিল, এবং ভারত এ দলের প্রথম ম্যাচের আগে অতিরিক্ত ৪৫০ কিলোমিটার ভ্রমণ করতে হয়। মোট ভ্রমণ দূরত্ব দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি, যা খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক শক্তি হ্রাসের কারণ হয়েছে। কোচ আইসিসিকে এই বিষয়টি জানিয়ে আপত্তি জানিয়েও কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ভ্রমণজনিত ক্লান্তি টুর্নামেন্টে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কোচ নওয়াজের মতে, আধুনিক ক্রিকেটে দ্রুত পরিবর্তনশীল শর্তে অভিযোজন ক্ষমতা অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দলকে আক্রমণাত্মক খেলার ধরন গ্রহণ করতে হবে এবং ধারাবাহিক ম্যাচের মাধ্যমে মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তুলতে হবে। যদিও টুর্নামেন্টের ফলাফল প্রত্যাশিত ছিল না, তবে এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে দলকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

আগামীকাল জিম্বাবুয়ে দলের সঙ্গে শেষ সুপার সিক্সের ম্যাচে বাংলাদেশকে কঠিন শর্তে খেলতে হবে। কোচের মন্তব্য অনুসারে, ভ্রমণ ক্লান্তি এবং বৃষ্টির কারণে সীমিত প্রস্তুতি সত্ত্বেও দলটি আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে মাঠে নামবে। ম্যাচের ফলাফল নির্ভর করবে খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম এবং চাপ সামলানোর ক্ষমতার ওপর।

এই ম্যাচের পর দলটি টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত র‍্যাংকিং নির্ধারণ করবে এবং ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে। কোচ নাভিদ নওয়াজের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, ধারাবাহিক ক্রিকেট, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং আক্রমণাত্মক কৌশলই বাংলাদেশ অধিনবীন দলের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments