18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনচ্লোয়ে ঝাও ও পাঁচ শীর্ষ প্রযোজকের ‘হ্যামনেট’ ছবির অস্কার যাত্রা

চ্লোয়ে ঝাও ও পাঁচ শীর্ষ প্রযোজকের ‘হ্যামনেট’ ছবির অস্কার যাত্রা

চ্লোয়ে ঝাও পরিচালিত এবং সহ-লিখিত ‘হ্যামনেট’ ছবিটি শেক্সপিয়রের পরিবার ও হ্যামলেটের অনুপ্রেরণার মূল ঘটনার উপর ভিত্তি করে ২০২০ সালে প্রকাশিত ম্যাগি ও’ফারেলের উপন্যাসের রূপান্তর। ছবিটি সর্বোচ্চ পাঁচটি অস্কার বিভাগে মনোনীত, যার মধ্যে সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক এবং সেরা অভিযোজিত চিত্রনাট্য অন্তর্ভুক্ত। এই সাফল্যের পেছনে পাঁচজন শীর্ষ প্রযোজকের সমন্বিত প্রচেষ্টা কাজ করেছে।

ঝাও চলচ্চিত্রের সৃষ্টিতে একাধিক ভূমিকা পালন করেছেন; তিনি কাহিনী রচনা, পরিচালনা, সম্পাদনা এবং নির্বাহী উৎপাদনসহ বিভিন্ন দায়িত্বে যুক্ত ছিলেন। তবে একা কাজ করা সম্ভব ছিল না, কারণ ছবির জটিলতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা একটি বৃহৎ দলকে প্রয়োজনীয় করে তুলেছিল। তাই তিনি পাঁচজন অভিজ্ঞ প্রযোজকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রকল্পটি এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

প্রযোজক দলের মধ্যে রয়েছেন হেরা পিকচার্সের লিজা মার্শাল, নিল স্ট্রিট প্রোডাকশনের পিপা হ্যারিস এবং স্যাম মেন্ডেস, অ্যামব্লিনের স্টিভেন স্পিলবার্গ এবং ঝাওর পার্টনার নিকোলাস গন্ডা, যিনি বুক অফ শ্যাডোসের সঙ্গে যুক্ত। প্রত্যেকের নিজস্ব শিল্পক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা ও নেটওয়ার্ক ছবির উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই সমন্বয়ই ‘হ্যামনেট’কে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা করে তুলেছে।

প্রকল্পের সূচনা ঘটে ২০১৯ সালে, যখন লিজা মার্শালকে ও’ফারেলের এজেন্ট থেকে উপন্যাসের গ্যালি কপি পাঠানো হয়। মার্শাল বইটি পড়ে তৎক্ষণাৎ গভীর প্রভাব অনুভব করেন; তিনি নিজেও দুই সন্তানসহ এক মা, যিনি উপন্যাসের নায়িকা অগনেসের সঙ্গে সাদৃশ্য খুঁজে পান। এই ব্যক্তিগত সংযোগ তাকে বইটির চলচ্চিত্র সম্ভাবনা দেখায় এবং তিনি অধিকার সুরক্ষার জন্য সরাসরি লেখক ও এজেন্টের সঙ্গে জুম মিটিং করেন।

মিটিংয়ের পর মার্শাল দ্রুত অধিকার অর্জন করেন এবং প্রকল্পটি চালু করার ভিত্তি স্থাপন করেন। একই সময়ে নিল স্ট্রিটের পিপা হ্যারিস বইটি প্রকাশের পর পড়ে, কিন্তু অধিকার ইতিমধ্যে কেনা হয়ে যাওয়া দেখে তিনি মার্শালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হ্যারিসের সঙ্গে মার্শালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পেশাগত সম্পর্ক এই সহযোগিতাকে সহজ করে দেয়।

হ্যারিসের প্রস্তাবের পর মার্শাল ও হ্যারিস একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং স্যাম মেন্ডেসকে দলভুক্ত করেন। মেন্ডেস শেক্সপিয়র-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রাখলেও, তিনি প্রথমে নিজেকে পরিচালক হিসেবে বিবেচনা করেন। তবে প্রকল্পের স্বর ও ঝাওর দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করে তিনি শেষ পর্যন্ত পরিচালনা দায়িত্ব গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেন।

স্টিভেন স্পিলবার্গ অ্যামব্লিনের মাধ্যমে ছবিতে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সমর্থন যোগান দেন, যা উচ্চমানের উৎপাদন নিশ্চিত করে। তার আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও নেটওয়ার্ক ছবির প্রচার ও বিতরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিকোলাস গন্ডা, ঝাওর পার্টনার, বইয়ের অধিকার ও সৃজনশীল দিকের সমন্বয়ে সহায়তা করেন, যা প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

ঝাও প্রযোজক দলকে তার “অবধারিত উন্মাদনা” সমর্থন করার জন্য প্রশংসা করেন এবং বলেন, এই পাঁচজনের সমর্থনই তার দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের মূল চাবিকাঠি। তিনি ‘ইথেরিয়ালস’ ছবির পর একটি ব্যক্তিগত পরিবর্তনের মুহূর্তের কথা উল্লেখ করেন, যা তাকে ‘হ্যামনেট’ প্রকল্পে সম্পূর্ণভাবে নিবেদিত হতে উদ্বুদ্ধ করে। এই অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন এবং প্রযোজক দলের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছবিটিকে অস্কার মনোনয়নের পথে নিয়ে যায়।

‘হ্যামনেট’ এখন সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক এবং সেরা অভিযোজিত চিত্রনাট্য সহ তিনটি বিভাগে অস্কার মনোনয়ন পেয়েছে, যা সমগ্র উৎপাদন দলকে গর্বিত করেছে। প্রযোজকরা ভবিষ্যৎ পুরস্কার অনুষ্ঠানগুলিতে ছবির সাফল্য আরও বাড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই সম্মিলিত যাত্রা চলচ্চিত্র শিল্পে সহযোগিতার নতুন মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments