18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতারেক রহমানের বগুড়া র্যালিতে কর্মসংস্থান ও ব্যবসা মেরিটের ভিত্তিতে হবে

তারেক রহমানের বগুড়া র্যালিতে কর্মসংস্থান ও ব্যবসা মেরিটের ভিত্তিতে হবে

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেসা প্লেগ্রাউন্ডে রাত ১২:৩০ টায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী র্যালিতে উপস্থিত সমর্থকদের সামনে কর্মসংস্থান ও ব্যবসা সহ সব সুযোগ-সুবিধা মেরিটের ভিত্তিতে প্রদান করা হবে বলে জোর দিয়ে বললেন। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, বগুড়ার লোকজনকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি করা তাদেরই ক্ষতি হবে এবং অন্য জেলা ও জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা উচিত নয়।

তারেক বলেন, “কাজ হোক বা ব্যবসা, সবকিছু মেরিটের ওপর নির্ভরশীল হবে। আমরা চাই না কেউ বলে বগুড়ার মানুষ শুধু তাদের গৃহস্থানির জন্যই সব পায়, অথবা অন্য জেলা থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে”। এ ধরনের মন্তব্যের ফলে বগুড়ার সুনাম নষ্ট হতে পারে, তাই তিনি সকলের ন্যায্য অংশ নিশ্চিত করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

র্যালিতে তারেকের মুখে কণ্ঠে স্পষ্ট আবেগ দেখা যায়; তিনি প্রায় উনিশ বছর পর নিজের জন্মভূমিতে ফিরে আসার জন্য আল্লাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আল্লাহর কৃপায় আজ আমি আবার এখানে দাঁড়াতে পেরেছি”। তিনি বগুড়ার উন্নয়ন কাজের কথা স্মরণ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে সড়ক, স্বাস্থ্যসেবা, গ্যাস সংযোগ এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের উল্লেখ করেন, যা তখনকার বিএনপি সরকারের অধীনে সম্পন্ন হয়েছিল।

তারেক বগুড়াকে নিজের দৃষ্টিতে একটি মডেল জেলা হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, “যদি আল্লাহ আমাকে আবার সুযোগ দেন, তবে আমি দেশের বাকি ৬৩টি জেলা একইভাবে উন্নত করার চেষ্টা করব”। তিনি বর্তমান নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বললেন, “এই নির্বাচন দেশের দিকনির্দেশ নির্ধারণ করবে—গণতন্ত্রের পথে যাবে নাকি অন্য পথে”। তাই বগুড়ার জনগণকে ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে আহ্বান জানান।

র্যালিতে তিনি তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, “যখন আমরা উন্নয়ন কাজ করছিলাম, তখন খালেদা জিয়া এখানে এমপি ছিলেন। আজ তিনি আর আমাদের সঙ্গে নেই, আমি তার স্থানে দাঁড়িয়ে আছি”। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি কি আপনাদের সন্তান হিসেবে কথা বলব, নাকি প্রার্থীরূপে?” এই দ্বিধা তার রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সমর্থক ও কর্মীরা তারেকের বক্তব্যের পর একাধিক স্লোগান শোনিয়ে র্যালির পরিবেশকে উচ্ছ্বাসে ভরিয়ে তোলেন। র্যালিতে উপস্থিত অন্যান্য স্থানীয় নেতা ও কর্মীও তারেকের মেরিট ভিত্তিক নীতি সমর্থন জানিয়ে উল্লাসে যোগ দেন।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, বগুড়ার এই র্যালি নির্বাচনী মোডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ এখানে ভোটের প্রবণতা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক দিকনির্দেশে প্রভাব ফেলতে পারে। মেরিটের ভিত্তিতে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে তা অন্যান্য জেলা ও দলের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তবে একই সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ নির্বাচন দাবি করে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বগুড়া র্যালি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে র্যালির মূল বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তারেকের মেরিট ভিত্তিক নীতি ও বগুড়ার উন্নয়নকালে করা কাজের স্মরণীয় উল্লেখের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। র্যালির পরবর্তী ধাপ হিসেবে, বিএনপি দল বগুড়া জেলায় ভোটার তালিকা পর্যালোচনা ও ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাবে, যাতে নির্বাচনের দিন নাগাদ ভোটারদের মধ্যে তারেকের বার্তা পৌঁছায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments