19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনঅ্যাপলের ‘ওয়াইল্ড থিংস’ সিরিজে সিবিজি বাঘ, বাস্তব প্রাণি নয়

অ্যাপলের ‘ওয়াইল্ড থিংস’ সিরিজে সিবিজি বাঘ, বাস্তব প্রাণি নয়

অ্যাপল ‘ওয়াইল্ড থিংস’ শিরোনামের নতুন সীমিত সিরিজে সিগফ্রিড ও রয়’র জীবনীকে পুনর্নির্মাণ করা হবে, তবে শোতে ব্যবহৃত বড় বাঘগুলো সম্পূর্ণ ডিজিটাল হবে বলে প্রাণী অধিকার সংস্থা পিটিএ জানিয়েছে। সিরিজটি আটটি পর্বে গঠিত এবং লাস ভেগাসের বিখ্যাত জোড়া সিগফ্রিড ও রয়’র কাহিনীকে আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরবে।

সিগফ্রিড ও রয়’র পারফরম্যান্স ২০০৩ সালে এক ভয়াবহ বাঘের আক্রমণে থেমে যায়, যখন রয় হর্ন গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেই ঘটনার পর থেকে তাদের শো আর চালু হয়নি এবং লাস ভেগাসের ঐতিহ্যবাহী বন্য প্রাণী প্রদর্শনের শেষ চিহ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

‘ওয়াইল্ড থিংস’ সিরিজে জুড ল’কে সিগফ্রিড ফিশবাখার এবং অ্যান্ড্রু গারফিল্ডকে রয় হর্নের ভূমিকায় দেখা যাবে। শোটি ‘অনলি মার্ডার্স ইন দ্য বিল্ডিং’ সিরিজের শো রানার জন হফম্যান পরিচালনা করছেন, যা মূলত হোলিভুডের অভিজ্ঞতা ও গল্পকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে মিশ্রিত করে।

পিটিএর চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন বিভাগে প্রাণী বিষয়ক প্রধান লরেন থমাসন উল্লেখ করেছেন, ডিজিটাল বাঘের ব্যবহার শোকে নৈতিকভাবে সঠিক পথে নিয়ে যায় এবং রয় হর্নের জীবনের ঝুঁকি পুনরাবৃত্তি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তিনি বলেন, এই পদ্ধতি দর্শকদেরকে বন্য প্রাণীকে বিনোদনের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার না করার বার্তা শক্তিশালীভাবে পৌঁছে দিতে পারে।

পিটিএ সম্প্রতি এইচবিওর ‘চিম্প ক্রেজি’ ডকুসিরিজে টোনিয়া হ্যাডিক্সের মতো বন্য প্রাণী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করেছে, যা প্রাণী অধিকার সংস্থার মিডিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরে। এই প্রেক্ষাপটে ‘ওয়াইল্ড থিংস’ সিরিজের সিবিজি বাঘের ব্যবহারকে সংস্থার নীতি অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অ্যাপল এই বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, ফলে প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা ভবিষ্যৎ প্রকাশের তারিখ সম্পর্কে তথ্য সীমিত রয়ে গেছে। তবে সিরিজের উৎপাদন ও প্রচার সংক্রান্ত তথ্যগুলো ইতিমধ্যে শিল্পের বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে।

সিগফ্রিড ও রয়’র মূল বাঘ প্রশিক্ষক ক্রিস লরেন্স, যিনি নিজেও একই বাঘের আক্রমণে আহত হয়েছিলেন, সিবিজি বাঘের ব্যবহারকে সমর্থন করেছেন। লরেন্সের মতে, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করলে প্রাণীকে ঝুঁকিতে না ফেলে একই নাটকীয় প্রভাব অর্জন করা সম্ভব। তিনি একই সঙ্গে সিরিজের ভিত্তি হওয়া পডকাস্টের কিছু তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা প্রকল্পের সামগ্রিক নির্ভরযোগ্যতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

এই সিদ্ধান্তটি বিনোদন শিল্পে প্রাণী ব্যবহার সংক্রান্ত আলোচনাকে নতুন দিক দেয়। অতীতের মতো বাস্তব বন্য প্রাণীকে শোতে নিয়ে আসার পরিবর্তে প্রযুক্তি ভিত্তিক সমাধান গ্রহণ করা শিল্পের নৈতিক মানদণ্ডকে পুনর্গঠন করতে পারে।

প্রশাসক ও দর্শক উভয়েরই আশা যে ‘ওয়াইল্ড থিংস’ সিরিজের সিবিজি বাঘের ব্যবহার ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রোডাকশনকে একই পথে চালিত করবে, যাতে প্রাণীর কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে গল্প বলা সম্ভব হয়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – TV
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments