19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতীয় নাগরিক দল প্রার্থীদের জন্য জামাতের 'দরিপল্লা' চিহ্ন মুছে ফেলার অনুরোধ ইসিকের...

জাতীয় নাগরিক দল প্রার্থীদের জন্য জামাতের ‘দরিপল্লা’ চিহ্ন মুছে ফেলার অনুরোধ ইসিকের দ্বারা প্রত্যাখ্যান

ইলেকশন কমিশন (ইসিক) ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত সাতটি নির্বাচনী এলাকায় জামাত‑ই‑ইসলামির ‘দরিপল্লা’ চিহ্ন মুছে ফেলার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। আবেদনটি চিহ্ন বরাদ্দের তিন দিন পর জমা দেওয়া হয়েছিল, যখনইসিকের কাছে ইতিমধ্যে ১১৯টি নির্বাচনী চিহ্ন নির্ধারিত ছিল।

নামজোরিপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি নির্ধারিত ছিল, তারপরই ২১ জানুয়ারি চিহ্নের বণ্টন সম্পন্ন হয়। এই সময়সীমার পরে কোনো চিহ্ন প্রত্যাহার করা সম্ভব না বলে ইসিকের সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

জামাতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পোরওয়ার ২৩ জানুয়ারি প্রধান ইসিকের কাছে একটি চিঠি লিখে জানান যে, নরসিংদি-২ ও চট্টগ্রাম-৮ নির্বাচনী এলাকায় জামাতের প্রার্থীরা তাদের নামজোরিপত্র প্রত্যাহার করেনি, যদিও ঐ সিটগুলো জাতীয় নাগরিক দল প্রার্থীর জন্য সংরক্ষিত ছিল।

একই পোরওয়ার ২৪ জানুয়ারি আরেকটি চিঠি পাঠিয়ে পাঁচটি অতিরিক্ত এলাকায়—ভোলা-২, নরসিংদি-৩, নারায়ণগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-১ এবং চট্টগ্রাম-১২—’দরিপল্লা’ চিহ্ন মুদ্রিত না করার অনুরোধ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সিটগুলোও ১১ পার্টি জোটের সিট‑শেয়ারিং চুক্তি অনুযায়ী অন্য পার্টির প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত।

ভোলা-২-এ জামাতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিম, নরসিংদি-৩-এ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ-৩-এ ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ-১-এ তফায়েল আহমেদ এবং চট্টগ্রাম-১২-এ মোহাম্মদ ফারিদুল আলামকে নামজোরিপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে সিট‑শেয়ারিং অনুযায়ী ভোলা-২-এ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী, নরসিংদি-৩-এ বাংলাদেশ খেল, এবং অন্যান্য সিটগুলোতে সংশ্লিষ্ট জোটের পার্টির প্রার্থী নির্ধারিত ছিল।

ইসিকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, একবার চিহ্ন বরাদ্দ হয়ে গেলে তা প্রত্যাহার করার কোনো বিধান নেই। ফলে নির্ধারিত সাতটি এলাকায় ‘দরিপল্লা’ চিহ্ন কালো‑সাদা ভোটার পত্রে থাকবে এবং জামাতের প্রার্থীদের নাম বৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

ইসিক আরও জোর দিয়ে বলেছেন যে, ১১ পার্টি জোটের অধীনে নামজোরিপ্ত প্রার্থীদের তাদের নিজস্ব পার্টির চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে। চিহ্ন পরিবর্তন না করা হলে ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্ত জোটের সিট‑শেয়ারিং চুক্তির বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলতে পারে। যদি জামাতের প্রার্থীরা নির্ধারিত চিহ্নের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী পার্টির সিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তবে জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও ভোটার ভিত্তিতে চাপ বাড়তে পারে। পরবর্তী ধাপে জোটের নেতৃত্বের মধ্যে পুনরায় আলোচনা এবং সম্ভাব্য আইনি আপিলের সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে, যা নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক গতিবিধিকে প্রভাবিত করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments