লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলকে ১৪৬ রানে আটকে জয় নিশ্চিত করে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান ২০ ওভারে আটটি উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান প্রথম বলেই সেজে গিয়ে আউট হন, তবে সাঈম আইয়ুব ও ক্যাপ্টেন সালমান আগা দ্রুত ৭৪ রানের স্থিতিশীল অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন। সাঈম ২২ বলে ৪০ রান সংগ্রহ করেন, আর ক্যাপ্টেন সালমান ২৭ বলে ৩৯ রান যোগ করেন। বাবর আজম ২০ বলে ২৪ রান যোগ করে মাঝারি অবদান রাখেন।
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের জন্য অ্যাডাম জাম্পা ২৪ রান করে চারটি উইকেট নেন, যা দলের আউটিংসকে ত্বরান্বিত করে। জেভিয়ার বার্টলেট ও মাহলি বিয়ার্ডম্যান প্রত্যেকে দু’টি করে উইকেট নেন, তবে তাদের ব্যাটিংয়ে উল্লেখযোগ্য স্কোর না থাকায় লক্ষ্য পূরণে বাধা সৃষ্টি হয়।
অস্ট্রেলিয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে শুরুর দিকে দু’জন ওপেনারকে ২৮ রানের মধ্যেই হারায়। ম্যাথুউ শর্ট মাত্র পাঁচ বলে চারটি রান করে দ্রুত আউট হন, ট্রাভিস হেড ১৩ বলে ২৩ রান করে ত্যাগ করেন। এরপর ক্যামেরন গ্রিন ও ম্যাট রেন’শ একসাথে ৪০ রান যোগ করেন, তবে রেন’শ ও কুপার কনোলি পরপর আউট হয়ে দলের গতি ধীর হয়ে যায়।
পাকিস্তানের স্পিনারদের ঘূর্ণনে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল ২০ ওভারে আটটি উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রানে থামে। এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ স্কোরকারী ক্যামেরন গ্রিন ৩৬ রান করেন, যা দলের মোট স্কোরে বড় অবদান রাখে না। পাকিস্তানের সাঈম আইয়ুব ও আবরার আহমেদ প্রত্যেকে দু’টি করে উইকেট নেন, যা টার্গেট রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ম্যাচের শেষে পাকিস্তান ২২ রান পার্থক্যে জয়ী হয়। এই জয়টি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি পর্যায়ে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং বিশ্বকাপের জন্য সম্ভাব্য কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করবে। পিসিবি আগামীকাল বা সোমবার চূড়ান্ত বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত জানাবে, তবে এই জয়টি দলের মনোবলকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে।
পরবর্তী ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে, তাই দলটি এখনো প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে এবং কৌশলগত পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলও পরবর্তী ম্যাচে পুনরুদ্ধার করে শীর্ষে ফিরে আসার লক্ষ্য রাখবে।



