28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধযুক্তরাজ্যে লরিতে লুকিয়ে ২৩ বাংলাদেশি পাচার, পাঁচজন অপরাধী গ্রেফতার

যুক্তরাজ্যে লরিতে লুকিয়ে ২৩ বাংলাদেশি পাচার, পাঁচজন অপরাধী গ্রেফতার

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (NCA) বুধবার জানিয়েছে, ডোভার ফেরিঘাটের পথে একটি লরিকে থামিয়ে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে লুকিয়ে পাচার করার চেষ্টা করা পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লরিটি থামানোর সময়, নিরাপত্তা কর্মীরা গাড়ির ভেতর থেকে সব ভিকটিমকে উদ্ধার করে, যার মধ্যে ২২ জন ইতিমধ্যে বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছিলেন এবং তাদের অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এই মামলায় লন্ডনের নিউ ক্রস এলাকায় বসবাসকারী ৪৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে রিংটের মূল নেতা হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সঙ্গে ৩০,০০০ পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, ৪৩ থেকে ৫৫ বছর বয়সের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের অভিযোগ রয়েছে যে তারা লন্ডন থেকে কেন্টের হুইটস্টেবল এলাকার কাছাকাছি একটি স্থানে ট্যাক্সি চালিয়ে ভিকটিমদের পরিবহন করছিলেন। লরির চালক, ৩২ বছর বয়সী রোমানিয়ান পাসপোর্টধারী ব্যক্তিকেও আটক করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের মতে, এই অপরাধী গোষ্ঠী পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি নাগরিকদের লরির মাধ্যমে যুক্তরাজ্য থেকে বের করে ফ্রান্সে প্রবেশের বাধা এড়াতে চেয়েছিল। লরির গুদামজাত পণ্যের আড়ালে মানুষকে গোপনে বহন করে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণকে পরাস্ত করার পরিকল্পনা ছিল। NCA শাখা কমান্ডার সাজু সাসিকুমার উল্লেখ করেন, এমন সংগঠিত পাচার নেটওয়ার্কগুলো কেবল ভিকটিমদের নিরাপত্তা নয়, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সীমান্ত রক্ষার জন্যও বড় হুমকি সৃষ্টি করে।

ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি এই ধরনের সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমনকে শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এবং বর্তমানে প্রায় ১০০টি সমজাতীয় তদন্ত চালু রয়েছে। এই গ্রেফতারটি ঘটে, যখন গত বছরের নভেম্বর মাসে NCA সতর্কতা জারি করেছিল যে পাচারকারী গোষ্ঠী লরি চালকদের লক্ষ্যবস্তু করে, তাদেরকে বৈধ পণ্য পরিবহনের আড়ালে মানব পাচার করার জন্য হাজার হাজার পাউন্ডের প্রলোভন দেয়।

পুলিশের মতে, চালকদের কাছে উচ্চ পারিশ্রমিকের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে গোপনে বহন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। গত বছরের জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে কেন্টে একই ধরনের অভিযোগে নয়জন লরি চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বর্তমান মামলায় গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে এখনো জেলখানায় রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার, অবৈধ অভিবাসন ও আর্থিক অপরাধের অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়া চলবে। তদন্তের অংশ হিসেবে অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্তকরণ কাজ চলছে।

অপরাধীদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পর, তারা আদালতে হাজির হবে এবং তাদের দায়িত্ব নির্ধারণের জন্য যথাযথ শাস্তি নির্ধারিত হবে। এই ঘটনা যুক্তরাজ্যের সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানব পাচার বিরোধী নীতি বাস্তবায়নের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেছে, এবং ভবিষ্যতে লরি চালকদের উপর নজরদারি বাড়ানোর সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments