23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবিসিবি পরিচালনা ও কূটনৈতিক ব্যর্থতা সম্পর্কে খালেদ মাহমুদ সুজনের মন্তব্য

বিসিবি পরিচালনা ও কূটনৈতিক ব্যর্থতা সম্পর্কে খালেদ মাহমুদ সুজনের মন্তব্য

প্রাক্তন জাতীয় ক্যাপ্টেন খালেদ মাহমুদ সুজন বিসিবি (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) এর বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বোর্ডের পরিচালনায় গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে বিসিবি সুস্থ নয় এবং পরিচালকদের মধ্যে অসন্তোষের পরিমাণ বাড়ছে। বিশেষ করে, ক্রিকেটের পটভূমি বা সংগঠন দক্ষতা না থাকা ব্যক্তিদের অধিকাংশ পদে থাকা বোর্ডের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে; তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরণের কর্পোরেট পদ্ধতিতে ক্রিকেট বোর্ড চালানো সম্ভব নয়।

বিসিবি-আইসিসি (ICC) সম্পর্কিত কূটনৈতিক অশান্তি নিয়ে তিনি আরও বলেন, মুস্তাফিজুর রহমানের বিষয়টি নিয়ে জাতীয় গর্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার যখন জানায় যে দলকে ভ্রমণ করা যাবে না, তখন সবাইকে তা মেনে নিতে হয় এবং তা স্বাভাবিকভাবেই সম্মানের আঘাত স্বীকার করতে বাধ্য করে। তিনি স্পষ্ট করেন, বিসিবি আইসিসি সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে কতটা সাফল্য অর্জন করেছে তা নির্ধারণ করা কঠিন, যদিও দলকে শ্রীলঙ্কায় খেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন যে আইসিসি নিজেও সমস্যার সমাধান করতে পারছিল না, ফলে একক ব্যক্তির দোষারোপ করা যুক্তিযুক্ত নয়; পুরো সিস্টেমকে দায়ী করা উচিত।

বিশ্বকাপের অযোগ্যতা নিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ক্রিকেটার এবং যারা খেলাটিকে হৃদয়ে রাখে তাদের জন্য এটি যেন রক্তক্ষরণ। বিশ্বকাপ না যাওয়া দেশের গর্বের জন্য বড় আঘাত, যা খেলোয়াড় ও ভক্ত উভয়েরই মনকে ব্যথিত করে। এই ব্যথা শুধুমাত্র মাঠের ফলাফলে নয়, বরং ক্রীড়া নীতি ও পরিচালনায় সৃষ্ট ত্রুটির ফল।

শাকিব আল হাসানের (আহমেদ আল-শারা) প্রত্যাবর্তন নিয়ে বোর্ডের আলোচনার বিষয়টি তিনি সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আইসিসি যখন বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয়, তখন শাকিবের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করা সময়োপযোগী ছিল না। শাকিবের সরকারী অনুমোদন না থাকলে বিসিবি কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে না; তাই বোর্ডের কাজের মাধ্যমে উদাহরণ স্থাপন করা উচিত ছিল। তিনি ইঙ্গিত দেন, শাকিবের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে আনা হয়তো মূল সমস্যার থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার একটি কৌশল হতে পারে।

অন্তর্দৃষ্টির সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে যে এম নাজমুল ইসলাম আর্থিক কমিটি চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন, যদিও বিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানায়নি। এই পুনর্নিয়োগের ফলে বোর্ডের আর্থিক নীতি ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বিশেষ করে পূর্বের অনিশ্চয়তা ও পরিচালনাগত সমস্যার প্রেক্ষিতে। সুজনের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্তের প্রকাশনা এবং বাস্তবায়ন উভয়ই সময়মতো করা দরকার, যাতে সংগঠনের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় থাকে।

সারসংক্ষেপে, খালেদ মাহমুদ সুজনের মন্তব্যগুলো বিসিবির অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, কূটনৈতিক ব্যর্থতা এবং খেলোয়াড়দের অবস্থান সংক্রান্ত সমস্যাগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। তিনি বোর্ডের কাঠামোগত সংস্কার, ক্রিকেটের পেশাদারিত্ব এবং সরকারী নীতির সঙ্গে সমন্বয়কে জরুরি বলে জোর দেন, যাতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের স্বীকৃতি পুনরুদ্ধার করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments